ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশালে অনশনরতদের ওপর হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 118

বরিশালে অনশনরতদের ওপর হামলা

বরিশালে স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে অনশনরতদের ওপর হামলা চালিয়ে হটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেবাচিম হাসপাতালের স্টাফ-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।

হামলায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনের সংগঠক মহিউদ্দিন রনি।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেবাচিম হাসপাতালের “নিরাপদ কর্মপরিবেশ চাই” কর্মসূচিতে চিকিৎসক ও স্টাফদের ওপর হামলার অভিযোগ এনে অনশনরতদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

শেবাচিম হাসপাতালের অফিস সহায়ক মিলন মোল্লা জানান, বুধবার বাস শ্রমিকদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে আহতদের আমরা চিকিৎসা দিতে গিয়ে দেরি করি। এ সময় সিনিয়র নার্সের সঙ্গে অসদাচরণ করে তাকে মারধর করা হয়। আজ আমাদের আন্দোলন চলাকালে একজন চিকিৎসকের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। এ ঘটনায় আন্দোলনকারীদের হাসপাতাল এলাকা ছাড়তে বলা হয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়।

আন্দোলনের সংগঠক মহিউদ্দিন রনি বলেন, আমাদের অনশনরত ভাইদের ওপর হাসপাতালের স্টাফ-কর্মচারীরা হামলা চালিয়ে ৩০-৪০ জনকে আহত করেছে।

অন্যদিকে, শেবাচিম হাসপাতালের মিড লেভেল ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. শাখাওয়াত হোসেন সৈকত জানান, “নিরাপদ কর্মপরিবেশ চাই” কর্মসূচি শেষে সবাই নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরছিলেন। সে সময় আন্দোলনকারীরা চিকিৎসক ও স্টাফদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে স্টাফ-কর্মচারীদের মধ্যে ৪ জন আহত হন, যার মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বরিশালে অনশনরতদের ওপর হামলা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

বরিশালে স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে অনশনরতদের ওপর হামলা চালিয়ে হটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেবাচিম হাসপাতালের স্টাফ-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।

হামলায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনের সংগঠক মহিউদ্দিন রনি।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেবাচিম হাসপাতালের “নিরাপদ কর্মপরিবেশ চাই” কর্মসূচিতে চিকিৎসক ও স্টাফদের ওপর হামলার অভিযোগ এনে অনশনরতদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

শেবাচিম হাসপাতালের অফিস সহায়ক মিলন মোল্লা জানান, বুধবার বাস শ্রমিকদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে আহতদের আমরা চিকিৎসা দিতে গিয়ে দেরি করি। এ সময় সিনিয়র নার্সের সঙ্গে অসদাচরণ করে তাকে মারধর করা হয়। আজ আমাদের আন্দোলন চলাকালে একজন চিকিৎসকের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। এ ঘটনায় আন্দোলনকারীদের হাসপাতাল এলাকা ছাড়তে বলা হয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়।

আন্দোলনের সংগঠক মহিউদ্দিন রনি বলেন, আমাদের অনশনরত ভাইদের ওপর হাসপাতালের স্টাফ-কর্মচারীরা হামলা চালিয়ে ৩০-৪০ জনকে আহত করেছে।

অন্যদিকে, শেবাচিম হাসপাতালের মিড লেভেল ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. শাখাওয়াত হোসেন সৈকত জানান, “নিরাপদ কর্মপরিবেশ চাই” কর্মসূচি শেষে সবাই নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরছিলেন। সে সময় আন্দোলনকারীরা চিকিৎসক ও স্টাফদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে স্টাফ-কর্মচারীদের মধ্যে ৪ জন আহত হন, যার মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।