ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্লাইট এক্সপার্টের মালিক পালিয়ে বিদেশে, গ্রেপ্তার ৩

বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 224

ফ্লাইট এক্সপার্টের মালিক পালিয়ে বিদেশে, গ্রেপ্তার ৩ কর্মকর্তা

হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি (ওটিএ) ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’। প্রায় ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন এর প্রতিষ্ঠাতা সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম। প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তারও এই প্রতারণায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অ্যাপ সচল থাকলেও ওয়েবসাইট বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে গ্রাহকসেবা কেন্দ্র এবং রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত ফ্লাইট এক্সপার্টের কার্যালয়ও। ধারণা করা হচ্ছে, সায়েম কানাডায় পাড়ি জমিয়েছেন। এছাড়াও দুবাইতে তার ব্যবসা ও অফিস রয়েছে।

ভয়াবহ এই প্রতারণার ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। সেই মামলায় তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন।

তিনি বলেন, ফ্লাইট এক্সপার্ট ইস্যুতে মোট ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তারা হলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম, এমডির বাবা এম এ রশিদ শাহ সম্রাট, হেড অব ফিন্যান্স মো. সাকিব হোসেন, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাইদ আহমেদ এবং চিফ অপারেটিং অফিসার এ কে এম সাদাত হোসেন।

ভুক্তভোগী বিপুল সরকার গত রাতে মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে হেড অব ফিন্যান্স সাকিব হোসেন (৩২), চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাইদ আহমেদ (৪০) এবং চিফ অপারেটিং অফিসার এ কে এম সাদাত হোসেন (৩২)–এই তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জানা যায়, বিমানের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ফ্লাইট এক্সপার্ট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় কম দামে টিকিট পাওয়া যেত এই প্ল্যাটফর্মে। পরবর্তী সময়ে হোটেল বুকিং ও ট্যুর প্যাকেজসহ ভ্রমণসংশ্লিষ্ট প্রায় সব ধরনের সেবা চালু করে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২১ সালে বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিনিয়োগ ফ্লাইট এক্সপার্টে হয় বলে জানা যায়।

ফ্লাইট এক্সপার্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা তুলে নিয়ে প্রতিষ্ঠাতা সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারাও সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফ্লাইট এক্সপার্টের মালিক পালিয়ে বিদেশে, গ্রেপ্তার ৩

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি (ওটিএ) ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’। প্রায় ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন এর প্রতিষ্ঠাতা সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম। প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তারও এই প্রতারণায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অ্যাপ সচল থাকলেও ওয়েবসাইট বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে গ্রাহকসেবা কেন্দ্র এবং রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত ফ্লাইট এক্সপার্টের কার্যালয়ও। ধারণা করা হচ্ছে, সায়েম কানাডায় পাড়ি জমিয়েছেন। এছাড়াও দুবাইতে তার ব্যবসা ও অফিস রয়েছে।

ভয়াবহ এই প্রতারণার ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। সেই মামলায় তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন।

তিনি বলেন, ফ্লাইট এক্সপার্ট ইস্যুতে মোট ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তারা হলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম, এমডির বাবা এম এ রশিদ শাহ সম্রাট, হেড অব ফিন্যান্স মো. সাকিব হোসেন, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাইদ আহমেদ এবং চিফ অপারেটিং অফিসার এ কে এম সাদাত হোসেন।

ভুক্তভোগী বিপুল সরকার গত রাতে মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে হেড অব ফিন্যান্স সাকিব হোসেন (৩২), চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাইদ আহমেদ (৪০) এবং চিফ অপারেটিং অফিসার এ কে এম সাদাত হোসেন (৩২)–এই তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জানা যায়, বিমানের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ফ্লাইট এক্সপার্ট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় কম দামে টিকিট পাওয়া যেত এই প্ল্যাটফর্মে। পরবর্তী সময়ে হোটেল বুকিং ও ট্যুর প্যাকেজসহ ভ্রমণসংশ্লিষ্ট প্রায় সব ধরনের সেবা চালু করে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২১ সালে বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিনিয়োগ ফ্লাইট এক্সপার্টে হয় বলে জানা যায়।

ফ্লাইট এক্সপার্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা তুলে নিয়ে প্রতিষ্ঠাতা সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারাও সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।