ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্লাইট এক্সপার্ট গায়েব, রিফান্ড স্থগিত চায় আটাব

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / 144

ফ্লাইট এক্সপার্ট গায়েব, রিফান্ড স্থগিত চায় আটাব

বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর শীর্ষ সংগঠন ‘এসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)’ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি জরুরি চিঠি দিয়েছে। এতে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’-এর প্রতারণার অভিযোগ তুলে টিকিট রিফান্ড স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’ হঠাৎ সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে তাদের অফিস তালাবদ্ধ করে এবং ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়। এরপর প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা অংশীদার ও সিইও সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম বিদেশে পালিয়ে যান। তিনি ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই)-এর পরিচালক এবং জনাব এম. এ. রশিদ শাহ সম্রাটের পুত্র।

আটাব দাবি করেছে, ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’ কেবল তাদের নিজস্ব আইডি দিয়েই নয়, বরং দেশের বিভিন্ন সাপ্লায়ার এজেন্সির টিকিট ব্যবহার করেও গ্রাহকদের কাছে টিকিট বিক্রি করেছে। ফলে, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অসংখ্য ট্রাভেল এজেন্ট এবং সাধারণ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আটাব অফিসে অনেক ভুক্তভোগী এজেন্ট লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে আটাব কর্তৃপক্ষ ফ্লাইট এক্সপার্ট এবং এর অধীনে ইস্যুকৃত টিকিটসমূহের রিফান্ড প্রক্রিয়া স্থগিত করার অনুরোধ জানায়। চিঠিতে বলা হয়, যদি এসব টিকিটের রিফান্ড চালু রাখা হয়, তবে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন এবং ট্রাভেল এজেন্টগণ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে দেশের পর্যটন ও বিমান পরিবহন খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এ কারণে আটাব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বলেছে, যেন যাত্রীদের টিকিট বাতিল না হয় এবং এসব টিকিট রিফান্ড না হয়। আটাব মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ স্বাক্ষরিত এই চিঠির সঙ্গে ফ্লাইট এক্সপার্ট কর্তৃক প্রতারিত এজেন্সিদের লিখিত অভিযোগও সংযুক্ত করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফ্লাইট এক্সপার্ট গায়েব, রিফান্ড স্থগিত চায় আটাব

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর শীর্ষ সংগঠন ‘এসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)’ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি জরুরি চিঠি দিয়েছে। এতে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’-এর প্রতারণার অভিযোগ তুলে টিকিট রিফান্ড স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’ হঠাৎ সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে তাদের অফিস তালাবদ্ধ করে এবং ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়। এরপর প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা অংশীদার ও সিইও সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম বিদেশে পালিয়ে যান। তিনি ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই)-এর পরিচালক এবং জনাব এম. এ. রশিদ শাহ সম্রাটের পুত্র।

আটাব দাবি করেছে, ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’ কেবল তাদের নিজস্ব আইডি দিয়েই নয়, বরং দেশের বিভিন্ন সাপ্লায়ার এজেন্সির টিকিট ব্যবহার করেও গ্রাহকদের কাছে টিকিট বিক্রি করেছে। ফলে, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অসংখ্য ট্রাভেল এজেন্ট এবং সাধারণ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আটাব অফিসে অনেক ভুক্তভোগী এজেন্ট লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে আটাব কর্তৃপক্ষ ফ্লাইট এক্সপার্ট এবং এর অধীনে ইস্যুকৃত টিকিটসমূহের রিফান্ড প্রক্রিয়া স্থগিত করার অনুরোধ জানায়। চিঠিতে বলা হয়, যদি এসব টিকিটের রিফান্ড চালু রাখা হয়, তবে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন এবং ট্রাভেল এজেন্টগণ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে দেশের পর্যটন ও বিমান পরিবহন খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এ কারণে আটাব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বলেছে, যেন যাত্রীদের টিকিট বাতিল না হয় এবং এসব টিকিট রিফান্ড না হয়। আটাব মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ স্বাক্ষরিত এই চিঠির সঙ্গে ফ্লাইট এক্সপার্ট কর্তৃক প্রতারিত এজেন্সিদের লিখিত অভিযোগও সংযুক্ত করা হয়েছে।