ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা কানাডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • / 206

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা কানাডার

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে কানাডা। বুধবার (৩০ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানান, গাজায় মানবিক পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে কানাডা আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

মার্ক কার্নি বলেন, “গাজায় মানুষের দুর্দশা দিন দিন বাড়ছে, যা সহ্যসীমার বাইরে চলে গেছে। তাই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি এখন আমাদের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।”

তবে এই স্বীকৃতি নির্ভর করছে কিছু শর্তের ওপর। কার্নি জানান, ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে শাসন ব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার আনতে হবে, হামাসকে বাদ দিয়ে ২০২৬ সালে সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং অঞ্চলটিকে নিরস্ত্রীকরণের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

এর আগে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানায়। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইসরায়েলের নির্দিষ্ট শর্ত না মানলে সেপ্টেম্বরেই এই স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেন।

বর্তমানে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে প্রায় ১৫০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নির ওপরও বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছিল। গত মঙ্গলবার কানাডার প্রায় ২০০ জন সাবেক কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূত তাকে চিঠি লিখে দ্রুত ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। চিঠিতে বলা হয়, দখলকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় ইসরায়েলি কার্যক্রম কানাডার মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা কানাডার

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে কানাডা। বুধবার (৩০ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানান, গাজায় মানবিক পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে কানাডা আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

মার্ক কার্নি বলেন, “গাজায় মানুষের দুর্দশা দিন দিন বাড়ছে, যা সহ্যসীমার বাইরে চলে গেছে। তাই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি এখন আমাদের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।”

তবে এই স্বীকৃতি নির্ভর করছে কিছু শর্তের ওপর। কার্নি জানান, ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে শাসন ব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার আনতে হবে, হামাসকে বাদ দিয়ে ২০২৬ সালে সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং অঞ্চলটিকে নিরস্ত্রীকরণের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

এর আগে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানায়। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইসরায়েলের নির্দিষ্ট শর্ত না মানলে সেপ্টেম্বরেই এই স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেন।

বর্তমানে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে প্রায় ১৫০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নির ওপরও বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছিল। গত মঙ্গলবার কানাডার প্রায় ২০০ জন সাবেক কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূত তাকে চিঠি লিখে দ্রুত ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। চিঠিতে বলা হয়, দখলকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় ইসরায়েলি কার্যক্রম কানাডার মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।