ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিকে বাৎসরিক ছুটি কমানোর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 128

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বাৎসরিক ছুটি কমানোর বিষয়টি ভাবছে। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

উপদেষ্টা বলেন, “বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র ১৮০ দিন ক্লাস হয়। শিক্ষা বহির্ভূত নানা কাজে শিক্ষকদের ব্যস্ত রাখার কারণে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আমরা ছুটি কমাতে চাই, তবে সাপ্তাহিক ছুটি কমিয়ে নয়, বরং শিক্ষা ক্যালেন্ডারে থাকা ছুটির মধ্যে থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমানো হবে।”

এছাড়া তিনি জানান, ১৫০টি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের শুরুতে এসব প্রতিষ্ঠানে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু হবে।

ডা. রায় পোদ্দার সাক্ষরতার হার সম্পর্কেও তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিবিএসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ। এছাড়া ২২.১ শতাংশ জনগোষ্ঠী এখনও নিরক্ষর, যারা কখনো বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়নি বা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়েছে।

শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়ে তিনি জানান, মামলা সংক্রান্ত কারণে অনেক শিক্ষকের পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে ৩২ হাজার শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির জন্য অপেক্ষমাণ। পদোন্নতির সঙ্গে সঙ্গে একই পরিমাণ নতুন পদও সৃষ্টি হবে।

উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়ন হবে এবং শিক্ষকদের প্রোফেশনাল উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রাথমিকে বাৎসরিক ছুটি কমানোর পরিকল্পনা

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বাৎসরিক ছুটি কমানোর বিষয়টি ভাবছে। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

উপদেষ্টা বলেন, “বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র ১৮০ দিন ক্লাস হয়। শিক্ষা বহির্ভূত নানা কাজে শিক্ষকদের ব্যস্ত রাখার কারণে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আমরা ছুটি কমাতে চাই, তবে সাপ্তাহিক ছুটি কমিয়ে নয়, বরং শিক্ষা ক্যালেন্ডারে থাকা ছুটির মধ্যে থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমানো হবে।”

এছাড়া তিনি জানান, ১৫০টি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের শুরুতে এসব প্রতিষ্ঠানে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু হবে।

ডা. রায় পোদ্দার সাক্ষরতার হার সম্পর্কেও তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিবিএসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ। এছাড়া ২২.১ শতাংশ জনগোষ্ঠী এখনও নিরক্ষর, যারা কখনো বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়নি বা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়েছে।

শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়ে তিনি জানান, মামলা সংক্রান্ত কারণে অনেক শিক্ষকের পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে ৩২ হাজার শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির জন্য অপেক্ষমাণ। পদোন্নতির সঙ্গে সঙ্গে একই পরিমাণ নতুন পদও সৃষ্টি হবে।

উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়ন হবে এবং শিক্ষকদের প্রোফেশনাল উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।