ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“প্রাণের উচ্ছাসে, দাউদিয়ান্স একসাথে”- আনন্দঘন অ্যাঙ্কর পুনর্মিলনী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 67

দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ, যশোরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

 

“প্রাণের উচ্ছাসে, দাউদিয়ান্স একসাথে”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ, যশোরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো এক আনন্দঘন অ্যাঙ্কর পুনর্মিলনী।

 

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে মিলিত হন বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা।

 

দীর্ঘ সময় পর এমন মিলনমেলায় অংশ নিয়ে সবাই ফিরে যান স্কুলজীবনের ফেলে আসা দিনগুলোতে। দেখা, কথা, গল্প, নতুন করে পরিচয় এবং স্মৃতিচারণে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। আবেগ, আনন্দ আর নস্টালজিয়ায় ভরে ওঠে পুনর্মিলনীর প্রতিটি মুহুর্ত।

 

১৯৫৯ সালে যশোর সেনানিবাসে “চির উন্নত মম শির” স্লোগানে প্রতিষ্ঠিত দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ। নার্সারি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা দিয়ে আসছে।

 

দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ, যশোরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স
দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ, যশোরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

এই পুনর্মিলনীর আহ্বায়ক ছিলেন এসএসসি ১৯৭৭ ব্যাচের ডা. ইসমাত আরা মেরী। অনুষ্ঠানে এসএসসি ২০২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

 

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন ১৯৭৯ ব্যাচের ডা. কাজী সাব্বির আনোয়ার। এরপর প্রয়াত শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে ১৯৫৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতিটি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নিজেদের ব্যাচ পরিচিতি তুলে ধরেন। স্মৃতিচারণ পর্বে স্কুলজীবনের নানা ঘটনা- ক্লাস ফাঁকি, দুষ্টুমি, শাসন, এমনকি ‘নীল ডাইন’-এর মতো শাস্তির কথাও উঠে আসে, যা আজ সবাইকে আবেগে আপ্লুত করে তোলে।

 

নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজ বিরতির পর অনুষ্ঠিত হয় র‌্যাফেল ড্র। টানটান উত্তেজনার মধ্যে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা ভ্রমণসহ নানা আকর্ষণীয় পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ১৯৮৯ ব্যাচের শান্তনু ইসলাম।

 

সবশেষে ১৯৭৯ ব্যাচের ফোজিয়া বেগম মায়া সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সারাদিনের নানা আয়োজন, হাসি, আনন্দ আর স্মৃতির রেশ নিয়ে আবারও মিলিত হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে গোধূলী বেলায় ফিরে যান সবাই।

 

“বন্ধু, আবার দেখা হবে—কারণে অকারণে”- এই সুর যেন দিনশেষে সবার হৃদয়েই বাজতে থাকে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

“প্রাণের উচ্ছাসে, দাউদিয়ান্স একসাথে”- আনন্দঘন অ্যাঙ্কর পুনর্মিলনী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

 

“প্রাণের উচ্ছাসে, দাউদিয়ান্স একসাথে”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ, যশোরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো এক আনন্দঘন অ্যাঙ্কর পুনর্মিলনী।

 

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে মিলিত হন বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা।

 

দীর্ঘ সময় পর এমন মিলনমেলায় অংশ নিয়ে সবাই ফিরে যান স্কুলজীবনের ফেলে আসা দিনগুলোতে। দেখা, কথা, গল্প, নতুন করে পরিচয় এবং স্মৃতিচারণে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। আবেগ, আনন্দ আর নস্টালজিয়ায় ভরে ওঠে পুনর্মিলনীর প্রতিটি মুহুর্ত।

 

১৯৫৯ সালে যশোর সেনানিবাসে “চির উন্নত মম শির” স্লোগানে প্রতিষ্ঠিত দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ। নার্সারি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা দিয়ে আসছে।

 

দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ, যশোরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স
দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ, যশোরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

এই পুনর্মিলনীর আহ্বায়ক ছিলেন এসএসসি ১৯৭৭ ব্যাচের ডা. ইসমাত আরা মেরী। অনুষ্ঠানে এসএসসি ২০২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

 

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন ১৯৭৯ ব্যাচের ডা. কাজী সাব্বির আনোয়ার। এরপর প্রয়াত শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে ১৯৫৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতিটি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নিজেদের ব্যাচ পরিচিতি তুলে ধরেন। স্মৃতিচারণ পর্বে স্কুলজীবনের নানা ঘটনা- ক্লাস ফাঁকি, দুষ্টুমি, শাসন, এমনকি ‘নীল ডাইন’-এর মতো শাস্তির কথাও উঠে আসে, যা আজ সবাইকে আবেগে আপ্লুত করে তোলে।

 

নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজ বিরতির পর অনুষ্ঠিত হয় র‌্যাফেল ড্র। টানটান উত্তেজনার মধ্যে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা ভ্রমণসহ নানা আকর্ষণীয় পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ১৯৮৯ ব্যাচের শান্তনু ইসলাম।

 

সবশেষে ১৯৭৯ ব্যাচের ফোজিয়া বেগম মায়া সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সারাদিনের নানা আয়োজন, হাসি, আনন্দ আর স্মৃতির রেশ নিয়ে আবারও মিলিত হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে গোধূলী বেলায় ফিরে যান সবাই।

 

“বন্ধু, আবার দেখা হবে—কারণে অকারণে”- এই সুর যেন দিনশেষে সবার হৃদয়েই বাজতে থাকে।