ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন

প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 21

তারেক রহমান। ছবি: বিএনপি মিডিয়া সেল

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্লেষণে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাময়িকীটির মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থার পর এই নির্বাচন দেশটির গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে।

সোমবার প্রকাশিত সর্বশেষ সংখ্যায় এক বিশ্লেষণে দ্য ইকোনমিস্ট লিখেছে, “খ্যাতনামা রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শীর্ষ দাবিদার।”

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৮ মাস আগে সংঘটিত এক ‘বিপ্লব’-এর পর এটি হবে দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই আন্দোলনে ‘জেনারেশন জেড’-এর নেতৃত্বে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান ঘটে, যা সাময়িকীটি ‘হত্যাযজ্ঞ ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনবে এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।

তারেক রহমানের সম্ভাব্য উত্থান নিয়ে এই পূর্বাভাস এসেছে টাইম ম্যাগাজিন, ব্লুমবার্গসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের অনুরূপ বিশ্লেষণের পর।

২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার দৃশ্য তুলে ধরে সাময়িকীটি লিখেছে, বুলেটপ্রুফ বাসে করে ফেরার সময় উচ্ছ্বসিত সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে আসেন এবং বাসটি কয়েক মাইল ধীরে চলতে থাকে, যাতে অপেক্ষমাণ মানুষ তাকে কাছ থেকে দেখতে পারেন।

দ্য ইকোনমিস্ট মন্তব্য করেছে, ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে আর কোনো ‘যথাযথ’ নির্বাচন হয়নি। প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ কখনো প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

নিরাপত্তা বিষয়ক থিঙ্কট্যাংক বিআইপিএসএসের গবেষণা পরিচালক শাফকাত মুনিরকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, “আমার জীবনের দুই দশক ধরে আমার ভোটের কোনো মূল্য ছিল না।” তিনি বলেন, বর্তমানে রাজধানীর সড়কজুড়ে নির্বাচনি ব্যানারে ভরে গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য এই নির্বাচন তত্ত্বাবধানই হবে শেষ বড় দায়িত্ব। সাময়িকীটির ভাষায়, অধিকাংশ মানুষই মনে করেন, এই সরকার অর্থনীতিকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে এসেছে।

এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে কিছু সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে স্বৈরতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে। এর মধ্যে রয়েছে একটি নতুন উচ্চকক্ষ গঠন এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছরে সীমিত করা।

জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, দলটি নির্বাচিত হলে সংযতভাবে শাসন করবে বলে দাবি করলেও, তাদের অগ্রগতি শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। সাময়িকীটি উল্লেখ করেছে, দলটি এবার কোনো নারী প্রার্থী দেয়নি এবং অতীতে কখনোই ১৮টির বেশি আসন না পাওয়ায় তাদের শাসন-অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, পরিস্থিতি তারেক রহমানের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে, কারণ জনমত জরিপে তার নেতৃত্বাধীন বিএনপি এগিয়ে রয়েছে।

প্রতিবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি পরিচালিত হয়েছে তার প্রয়াত মা খালেদা জিয়ার মাধ্যমে এবং তার আগে তার বাবা, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দলের নেতৃত্ব দেন, যিনি ১৯৮১ সালে নিহত হন। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি নব্বই ও দুই হাজারের দশকে তিনবার ক্ষমতায় আসে।

সাময়িকীটি লিখেছে, তারেক রহমান বিস্তারিত কর্মসূচি প্রকাশ না করলেও নির্বাচিত হলে বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির সুযোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি পানির সংকট মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং বছরে পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রেও তিনি নিজেকে বাস্তববাদী হিসেবে তুলে ধরেছেন।

দ্য ইকোনমিস্ট জানায়, রহমান বলেছেন, তার সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি ২০২৪ সালের বিক্ষোভে নিহতদের ঘটনায় বিচার নিশ্চিত করার কথা বললেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রহমানের মতে, ২০২৪ সালের আন্দোলন প্রমাণ করেছে, জনগণের জন্য কার্যকর কর্মসূচি না থাকলে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না। তিনি বলেন, “প্রতিশোধপরায়ণতা কারও জন্যই ভালো কিছু বয়ে আনে না।”

দেশে ফেরার পর থেকে তারেক রহমান জনসমর্থন বাড়াতে সক্রিয়ভাবে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এখনো অনেক মানুষ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে প্রকাশ্যে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।

সবশেষে সাময়িকীটি মন্তব্য করেছে, পর্যবেক্ষকদের মতে, লন্ডন থেকে ফিরে আসা তারেক রহমান আগের তুলনায় বেশি সংযত ও বাস্তববাদী হয়ে উঠেছেন, যা তাকে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আলাদা করে তুলে ধরছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন

প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্লেষণে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাময়িকীটির মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থার পর এই নির্বাচন দেশটির গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে।

সোমবার প্রকাশিত সর্বশেষ সংখ্যায় এক বিশ্লেষণে দ্য ইকোনমিস্ট লিখেছে, “খ্যাতনামা রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শীর্ষ দাবিদার।”

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৮ মাস আগে সংঘটিত এক ‘বিপ্লব’-এর পর এটি হবে দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই আন্দোলনে ‘জেনারেশন জেড’-এর নেতৃত্বে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান ঘটে, যা সাময়িকীটি ‘হত্যাযজ্ঞ ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনবে এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।

তারেক রহমানের সম্ভাব্য উত্থান নিয়ে এই পূর্বাভাস এসেছে টাইম ম্যাগাজিন, ব্লুমবার্গসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের অনুরূপ বিশ্লেষণের পর।

২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার দৃশ্য তুলে ধরে সাময়িকীটি লিখেছে, বুলেটপ্রুফ বাসে করে ফেরার সময় উচ্ছ্বসিত সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে আসেন এবং বাসটি কয়েক মাইল ধীরে চলতে থাকে, যাতে অপেক্ষমাণ মানুষ তাকে কাছ থেকে দেখতে পারেন।

দ্য ইকোনমিস্ট মন্তব্য করেছে, ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে আর কোনো ‘যথাযথ’ নির্বাচন হয়নি। প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ কখনো প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

নিরাপত্তা বিষয়ক থিঙ্কট্যাংক বিআইপিএসএসের গবেষণা পরিচালক শাফকাত মুনিরকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, “আমার জীবনের দুই দশক ধরে আমার ভোটের কোনো মূল্য ছিল না।” তিনি বলেন, বর্তমানে রাজধানীর সড়কজুড়ে নির্বাচনি ব্যানারে ভরে গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য এই নির্বাচন তত্ত্বাবধানই হবে শেষ বড় দায়িত্ব। সাময়িকীটির ভাষায়, অধিকাংশ মানুষই মনে করেন, এই সরকার অর্থনীতিকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে এসেছে।

এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে কিছু সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে স্বৈরতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে। এর মধ্যে রয়েছে একটি নতুন উচ্চকক্ষ গঠন এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছরে সীমিত করা।

জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, দলটি নির্বাচিত হলে সংযতভাবে শাসন করবে বলে দাবি করলেও, তাদের অগ্রগতি শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। সাময়িকীটি উল্লেখ করেছে, দলটি এবার কোনো নারী প্রার্থী দেয়নি এবং অতীতে কখনোই ১৮টির বেশি আসন না পাওয়ায় তাদের শাসন-অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, পরিস্থিতি তারেক রহমানের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে, কারণ জনমত জরিপে তার নেতৃত্বাধীন বিএনপি এগিয়ে রয়েছে।

প্রতিবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি পরিচালিত হয়েছে তার প্রয়াত মা খালেদা জিয়ার মাধ্যমে এবং তার আগে তার বাবা, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দলের নেতৃত্ব দেন, যিনি ১৯৮১ সালে নিহত হন। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি নব্বই ও দুই হাজারের দশকে তিনবার ক্ষমতায় আসে।

সাময়িকীটি লিখেছে, তারেক রহমান বিস্তারিত কর্মসূচি প্রকাশ না করলেও নির্বাচিত হলে বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির সুযোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি পানির সংকট মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং বছরে পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রেও তিনি নিজেকে বাস্তববাদী হিসেবে তুলে ধরেছেন।

দ্য ইকোনমিস্ট জানায়, রহমান বলেছেন, তার সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি ২০২৪ সালের বিক্ষোভে নিহতদের ঘটনায় বিচার নিশ্চিত করার কথা বললেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রহমানের মতে, ২০২৪ সালের আন্দোলন প্রমাণ করেছে, জনগণের জন্য কার্যকর কর্মসূচি না থাকলে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না। তিনি বলেন, “প্রতিশোধপরায়ণতা কারও জন্যই ভালো কিছু বয়ে আনে না।”

দেশে ফেরার পর থেকে তারেক রহমান জনসমর্থন বাড়াতে সক্রিয়ভাবে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এখনো অনেক মানুষ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে প্রকাশ্যে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।

সবশেষে সাময়িকীটি মন্তব্য করেছে, পর্যবেক্ষকদের মতে, লন্ডন থেকে ফিরে আসা তারেক রহমান আগের তুলনায় বেশি সংযত ও বাস্তববাদী হয়ে উঠেছেন, যা তাকে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আলাদা করে তুলে ধরছে।