ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্যারিসে যাওয়া ছিল সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 68

লিওনেল মেসি। ফাইল ছবি

লা মাসিয়ার ছায়াতলে বেড়ে ওঠা লিওনেল মেসি একসময় হয়ে উঠেছিলেন বার্সেলোনার হৃদস্পন্দন। কাতালান ক্লাবটির হয়ে ১০টি লা লিগা, কোপা দেল রে ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগসহ ক্লাব ফুটবলের প্রায় সব বড় ট্রফিই জিতেছেন তিনি। বার্সার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেও (৬৭২ গোল) এখনো অদ্বিতীয় মেসি।

২০২১ সালে ১৭ বছরের দীর্ঘ বার্সা অধ্যায়ের ইতি টানেন তিনি। এরপর যোগ দেন ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)-তে। যদিও সেখানে লিগ ওয়ান শিরোপা জেতা ছাড়া খুব বেশি সাফল্য পাননি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। শুধু তাই নয়, প্যারিসের পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতেও বেশ কষ্ট হয়েছিল তাঁর।

সম্প্রতি আমেরিকা বিজনেস ফোরামে মায়ামি শহরের ‘চাবি’ গ্রহণের সময় সেই অভিজ্ঞতার কথা খোলাখুলি বলেন মেসি। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, প্রথমবার প্যারিসে যাওয়া ছিল ভীষণ কঠিন। সারাজীবন বার্সেলোনাতেই কাটিয়েছি—পরিবার, সন্তান, সবকিছুই সেখানে ছিল। ১৩ বছর বয়সে সেখানে গিয়েছিলাম, তাই বলা যায়, আমার পুরো জীবনটাই বার্সেলোনায় কেটেছে।’

সব পরিচিতি আর স্থিতি ছেড়ে একসময় তাঁকে পাড়ি জমাতে হয়েছিল প্যারিসে। তবে দুই মৌসুমের বেশি টিকতে পারেননি সেখানকার ক্লাবে। অবশেষে নতুন ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিকে।

মেসি জানালেন, মায়ামিতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা পুরোপুরি পারিবারিক ছিল। তাঁর ভাষায়, “এটা আসলে আমার পরিবারের সিদ্ধান্ত ছিল। আমরা ভাবছিলাম, কোথায় গেলে সবার জন্য জীবনটা সহজ হবে। শেষে ইন্টার মায়ামিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

নতুন শহরে জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়েও উচ্ছ্বসিত তিনি। “মায়ামিতে আসার পর সবকিছু দারুণ লেগেছে, বলেন মেসি। ‘এই শহরে প্রথমবার থাকাটা সত্যিই অসাধারণ অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে এখানকার মানুষের আচরণ- প্রথম দিন থেকেই সবাই যেভাবে আমাদের স্বাগত জানিয়েছে, তা এখনো একইরকম উষ্ণ ও বিশেষ।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্যারিসে যাওয়া ছিল সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ আপডেট ০১:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

লা মাসিয়ার ছায়াতলে বেড়ে ওঠা লিওনেল মেসি একসময় হয়ে উঠেছিলেন বার্সেলোনার হৃদস্পন্দন। কাতালান ক্লাবটির হয়ে ১০টি লা লিগা, কোপা দেল রে ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগসহ ক্লাব ফুটবলের প্রায় সব বড় ট্রফিই জিতেছেন তিনি। বার্সার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেও (৬৭২ গোল) এখনো অদ্বিতীয় মেসি।

২০২১ সালে ১৭ বছরের দীর্ঘ বার্সা অধ্যায়ের ইতি টানেন তিনি। এরপর যোগ দেন ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)-তে। যদিও সেখানে লিগ ওয়ান শিরোপা জেতা ছাড়া খুব বেশি সাফল্য পাননি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। শুধু তাই নয়, প্যারিসের পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতেও বেশ কষ্ট হয়েছিল তাঁর।

সম্প্রতি আমেরিকা বিজনেস ফোরামে মায়ামি শহরের ‘চাবি’ গ্রহণের সময় সেই অভিজ্ঞতার কথা খোলাখুলি বলেন মেসি। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, প্রথমবার প্যারিসে যাওয়া ছিল ভীষণ কঠিন। সারাজীবন বার্সেলোনাতেই কাটিয়েছি—পরিবার, সন্তান, সবকিছুই সেখানে ছিল। ১৩ বছর বয়সে সেখানে গিয়েছিলাম, তাই বলা যায়, আমার পুরো জীবনটাই বার্সেলোনায় কেটেছে।’

সব পরিচিতি আর স্থিতি ছেড়ে একসময় তাঁকে পাড়ি জমাতে হয়েছিল প্যারিসে। তবে দুই মৌসুমের বেশি টিকতে পারেননি সেখানকার ক্লাবে। অবশেষে নতুন ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিকে।

মেসি জানালেন, মায়ামিতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা পুরোপুরি পারিবারিক ছিল। তাঁর ভাষায়, “এটা আসলে আমার পরিবারের সিদ্ধান্ত ছিল। আমরা ভাবছিলাম, কোথায় গেলে সবার জন্য জীবনটা সহজ হবে। শেষে ইন্টার মায়ামিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

নতুন শহরে জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়েও উচ্ছ্বসিত তিনি। “মায়ামিতে আসার পর সবকিছু দারুণ লেগেছে, বলেন মেসি। ‘এই শহরে প্রথমবার থাকাটা সত্যিই অসাধারণ অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে এখানকার মানুষের আচরণ- প্রথম দিন থেকেই সবাই যেভাবে আমাদের স্বাগত জানিয়েছে, তা এখনো একইরকম উষ্ণ ও বিশেষ।’