ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুরুষ মানুষ শুধু মেয়েদের শরীর বোঝে

নীল মাহমুদ
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫
  • / 428

পুরুষ মানুষ শুধু মেয়েদের শরীর বোঝে

নারীকেই বলতে শুনি—
“পুরুষ মানুষ শুধু মেয়েদের শরীর বোঝে, মন বোঝে না।”
এই কথা শুনে মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে—
আপনার সেই সঙ্গী যদি আপনার ভালোবাসা, আদর-যত্নের মাঝেও নিজের শারীরিক চাহিদার জায়গায় অপূর্ণতা অনুভব করে,
তখন সে যদি ভুল পথে পা বাড়ায়, আপনি কি শুধু তাকে দোষ দেবেন?

হ্যাঁ, নিঃসন্দেহে—
যে পুরুষ কেবল নারীর শরীর চায়, তার অনুভূতি বা আত্মিক সম্পর্কের মূল্য বোঝে না,
সে ভালোবাসার উপযুক্ত নয়।
তবে তাই বলে পুরুষের শারীরিক চাহিদাকে অবজ্ঞা বা অস্বীকার করা কি ন্যায্য?

একজন পরিপূর্ণ পুরুষ খুব বেশি কিছু চায় না—
একটু সম্মান, একটুখানি ভালোবাসা, এবং একজন নারীর কাছ থেকে মানসিক প্রশ্রয় ও শান্তি।
আর এই মানসিক শান্তির সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে তার শারীরিক চাওয়া।

শুধু প্রেমে পড়ার জন্য নয়, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতেও আকর্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।
নারীর শরীর আর মনের আলাদা ঠিকানা নেই—
একটিকে ছুঁতে গেলে আরেকটিকে বুঝতেই হয়।

যে পুরুষ তার সঙ্গীর কাছ থেকে ভালোবাসা, সম্মান, মনোযোগ সব পেয়েও অন্য নারীর দিকে তাকায়,
সে অবশ্যই অসত ও দায়িত্বহীন।
কিন্তু যে পুরুষ তার চাওয়াগুলো একমাত্র নিজের সঙ্গীর মাঝেই খুঁজে পেতে চায়,
আর সঙ্গী যদি সেই ভাষা বুঝতে না চায়—
তখন সে কাকে বলবে নিজের না বলা কথাগুলো?

নারীর মন যেমন গভীর, তেমনি পুরুষের অনুভবও সহজ নয়।
শুধু পুরুষ দোষী এই তর্কে দাঁড়িয়ে থাকলে, সম্পর্ক সামনে এগোয় না।
বরং বোঝা দরকার—
পুরুষও মন বোঝে, অনুভব করে, অপেক্ষা করে।

সব পুরুষ এক নয়।
ঠিক যেমন সব নারীও এক নয়।

যেখানে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, সেখানে শুধু মন নয়, শরীরও কথা বলে।
উভয়ের চাওয়া-পাওয়ার জায়গাগুলো যতটা সম্মান পাবে, সম্পর্ক ততটাই গভীর হবে।

না হলে—
অভিযোগের দেয়াল উঠবে, কিন্তু ভালোবাসার ঘর কখনও দাঁড়াবে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পুরুষ মানুষ শুধু মেয়েদের শরীর বোঝে

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫

নারীকেই বলতে শুনি—
“পুরুষ মানুষ শুধু মেয়েদের শরীর বোঝে, মন বোঝে না।”
এই কথা শুনে মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে—
আপনার সেই সঙ্গী যদি আপনার ভালোবাসা, আদর-যত্নের মাঝেও নিজের শারীরিক চাহিদার জায়গায় অপূর্ণতা অনুভব করে,
তখন সে যদি ভুল পথে পা বাড়ায়, আপনি কি শুধু তাকে দোষ দেবেন?

হ্যাঁ, নিঃসন্দেহে—
যে পুরুষ কেবল নারীর শরীর চায়, তার অনুভূতি বা আত্মিক সম্পর্কের মূল্য বোঝে না,
সে ভালোবাসার উপযুক্ত নয়।
তবে তাই বলে পুরুষের শারীরিক চাহিদাকে অবজ্ঞা বা অস্বীকার করা কি ন্যায্য?

একজন পরিপূর্ণ পুরুষ খুব বেশি কিছু চায় না—
একটু সম্মান, একটুখানি ভালোবাসা, এবং একজন নারীর কাছ থেকে মানসিক প্রশ্রয় ও শান্তি।
আর এই মানসিক শান্তির সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে তার শারীরিক চাওয়া।

শুধু প্রেমে পড়ার জন্য নয়, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতেও আকর্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।
নারীর শরীর আর মনের আলাদা ঠিকানা নেই—
একটিকে ছুঁতে গেলে আরেকটিকে বুঝতেই হয়।

যে পুরুষ তার সঙ্গীর কাছ থেকে ভালোবাসা, সম্মান, মনোযোগ সব পেয়েও অন্য নারীর দিকে তাকায়,
সে অবশ্যই অসত ও দায়িত্বহীন।
কিন্তু যে পুরুষ তার চাওয়াগুলো একমাত্র নিজের সঙ্গীর মাঝেই খুঁজে পেতে চায়,
আর সঙ্গী যদি সেই ভাষা বুঝতে না চায়—
তখন সে কাকে বলবে নিজের না বলা কথাগুলো?

নারীর মন যেমন গভীর, তেমনি পুরুষের অনুভবও সহজ নয়।
শুধু পুরুষ দোষী এই তর্কে দাঁড়িয়ে থাকলে, সম্পর্ক সামনে এগোয় না।
বরং বোঝা দরকার—
পুরুষও মন বোঝে, অনুভব করে, অপেক্ষা করে।

সব পুরুষ এক নয়।
ঠিক যেমন সব নারীও এক নয়।

যেখানে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, সেখানে শুধু মন নয়, শরীরও কথা বলে।
উভয়ের চাওয়া-পাওয়ার জায়গাগুলো যতটা সম্মান পাবে, সম্পর্ক ততটাই গভীর হবে।

না হলে—
অভিযোগের দেয়াল উঠবে, কিন্তু ভালোবাসার ঘর কখনও দাঁড়াবে না।