ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে এমপি বেচাকেনা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৪২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 117

গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান

গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, দেশে যদি পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে সকাল-বিকেল এমপি বিক্রির মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনায় বিআইআইএসএস অডিটোরিয়ামে ‘সংস্কার ও নির্বাচন: প্রেক্ষিত জাতীয় ঐক্য’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, পিআর হলে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অবস্থান কী হবে তা স্পষ্ট করা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, ‘সংস্কার ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না’-এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন বা সরকার দায় এড়াতে চাইছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভিন্নমতকে ঐকমত্যে নিয়ে আসার দায় সরকারের, এবং সকলের বক্তব্য শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চলমান আন্দোলনের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বলেন, “আলোচনা চলাকালীন সময়ে মাঠে আন্দোলনের উদ্দেশ্য কী? যারা পূর্বে সুযোগ-সুবিধার জন্য আন্দোলন করেনি, এখন তারা নতুন আন্দোলন শুরু করছে। এর ফলে আরেকটি সংকট সৃষ্টি হতে পারে।” তিনি সতর্ক করেছেন, পুনরায় ১/১১ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে কেউ দায় এড়াতে পারবে না।

গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের আগে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং প্রশ্ন তোলেন, অদৃশ্য সরকারকে কেন অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।

রাশেদ খান জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ১০৪ জনের ব্যয়বহুল সফর নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “সাম্যের কথা বলে সরকার বৈষম্য বিস্তার করছে। জাতিসংঘে মাত্র তিনটি দলকে নিয়ে গিয়ে সরকার নির্দিষ্ট কিছু দলকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এত বড় বহর পাঠানো হলেও পরিবর্তন কোথায়?”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে এমপি বেচাকেনা হবে

সর্বশেষ আপডেট ০২:৪২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, দেশে যদি পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে সকাল-বিকেল এমপি বিক্রির মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনায় বিআইআইএসএস অডিটোরিয়ামে ‘সংস্কার ও নির্বাচন: প্রেক্ষিত জাতীয় ঐক্য’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, পিআর হলে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অবস্থান কী হবে তা স্পষ্ট করা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, ‘সংস্কার ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না’-এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন বা সরকার দায় এড়াতে চাইছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভিন্নমতকে ঐকমত্যে নিয়ে আসার দায় সরকারের, এবং সকলের বক্তব্য শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চলমান আন্দোলনের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বলেন, “আলোচনা চলাকালীন সময়ে মাঠে আন্দোলনের উদ্দেশ্য কী? যারা পূর্বে সুযোগ-সুবিধার জন্য আন্দোলন করেনি, এখন তারা নতুন আন্দোলন শুরু করছে। এর ফলে আরেকটি সংকট সৃষ্টি হতে পারে।” তিনি সতর্ক করেছেন, পুনরায় ১/১১ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে কেউ দায় এড়াতে পারবে না।

গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের আগে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং প্রশ্ন তোলেন, অদৃশ্য সরকারকে কেন অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।

রাশেদ খান জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ১০৪ জনের ব্যয়বহুল সফর নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “সাম্যের কথা বলে সরকার বৈষম্য বিস্তার করছে। জাতিসংঘে মাত্র তিনটি দলকে নিয়ে গিয়ে সরকার নির্দিষ্ট কিছু দলকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এত বড় বহর পাঠানো হলেও পরিবর্তন কোথায়?”