ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাহাড়ে ধর্ষণ: মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 108

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী

পাহাড়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে নেওয়া মেডিকেল রিপোর্টে কোনো ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি রোববার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে এ কথা জানান।

মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “যে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় হয়েছে, মেডিকেল রিপোর্টে কোনো আলামতই পাওয়া যায়নি। পাহাড়ের সাধারণ জনগণের সহযোগিতায় আমরা ঘটনাটিকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণের অভিযোগকে ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামকে অশান্ত করার এবং দুর্গাপূজার মণ্ডপে অসুরের মুখে দাঁড়ি লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা ফ্যাসিস্টদের দোসরদের মাধ্যমে চালানো হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশে দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির ঘটনা এবং প্রধান উপদেষ্টাকে নিন্দনীয়ভাবে উপস্থাপন করার ঘটনাতেও এর যোগসূত্র দেখা গেছে।”

জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য গঠিত পূজামণ্ডপ কমিটির সক্রিয় সহযোগিতায় কুচক্রীদের চক্রান্ত নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছি।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাহাড়ে ধর্ষণ: মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি

সর্বশেষ আপডেট ০১:২৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

পাহাড়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে নেওয়া মেডিকেল রিপোর্টে কোনো ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি রোববার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে এ কথা জানান।

মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “যে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় হয়েছে, মেডিকেল রিপোর্টে কোনো আলামতই পাওয়া যায়নি। পাহাড়ের সাধারণ জনগণের সহযোগিতায় আমরা ঘটনাটিকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণের অভিযোগকে ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামকে অশান্ত করার এবং দুর্গাপূজার মণ্ডপে অসুরের মুখে দাঁড়ি লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা ফ্যাসিস্টদের দোসরদের মাধ্যমে চালানো হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশে দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির ঘটনা এবং প্রধান উপদেষ্টাকে নিন্দনীয়ভাবে উপস্থাপন করার ঘটনাতেও এর যোগসূত্র দেখা গেছে।”

জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য গঠিত পূজামণ্ডপ কমিটির সক্রিয় সহযোগিতায় কুচক্রীদের চক্রান্ত নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছি।”