ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ৩২ বস্তা টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • / 108

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ৩২ বস্তা টাকা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ৩২ বস্তা টাকা। এখন চলছে গণনা।

এর আগে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল এ মসজিদের দানবাক্সে ৪ মাস ১২ দিনে পাওয়া গিয়েছিল ২৮ বস্তা টাকা। দিন শেষে গণনা করে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ-রূপার অলঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। এবার অনলাইনেও দানের টাকা জমা পড়েছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরীর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এসময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পরে ৩২টি বস্তায় ভরে এসব টাকা নেওয়া হয় মসজিদের দোতলায়। টাকা ছাড়াও বরাবরের মতো স্বর্ণ, রূপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে দানবাক্সগুলোতে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় টাকা গণনা কাজে মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৪১০ জনের একটি দল অংশ নিয়েছেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এরশাদুল আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

দিনভর গণনা শেষে আজ সন্ধ্যায় টাকার পরিমাণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

জনশ্রুতি রয়েছে, প্রায় আড়াইশ বছর আগে এক আধ্যাত্মিক পাগল খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদ এলাকার হারুয়ায় থামেন। তাকে ঘিরে অনেক ভক্ত সমবেত হন। ওই পাগলের মৃত্যুর পর সমাধির পাশে গড়ে ওঠে এই মসজিদ। পরে কালক্রমে এটি পরিচিতি পায় পাগলা মসজিদ নামে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ৩২ বস্তা টাকা

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ৩২ বস্তা টাকা। এখন চলছে গণনা।

এর আগে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল এ মসজিদের দানবাক্সে ৪ মাস ১২ দিনে পাওয়া গিয়েছিল ২৮ বস্তা টাকা। দিন শেষে গণনা করে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ-রূপার অলঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। এবার অনলাইনেও দানের টাকা জমা পড়েছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরীর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এসময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পরে ৩২টি বস্তায় ভরে এসব টাকা নেওয়া হয় মসজিদের দোতলায়। টাকা ছাড়াও বরাবরের মতো স্বর্ণ, রূপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে দানবাক্সগুলোতে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় টাকা গণনা কাজে মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৪১০ জনের একটি দল অংশ নিয়েছেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এরশাদুল আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

দিনভর গণনা শেষে আজ সন্ধ্যায় টাকার পরিমাণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

জনশ্রুতি রয়েছে, প্রায় আড়াইশ বছর আগে এক আধ্যাত্মিক পাগল খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদ এলাকার হারুয়ায় থামেন। তাকে ঘিরে অনেক ভক্ত সমবেত হন। ওই পাগলের মৃত্যুর পর সমাধির পাশে গড়ে ওঠে এই মসজিদ। পরে কালক্রমে এটি পরিচিতি পায় পাগলা মসজিদ নামে।