ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে ১০৪ জন শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • / 172

পাকিস্তানে ১০৪ জন শিশুর মৃত্যু

পাকিস্তানে বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২১ জনে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৭৭ জন পুরুষ, ৪০ জন নারী এবং ১০৪ জন শিশু। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ; সেখানে মারা গেছেন ১৩৫ জন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, পাহাড়ি অঞ্চলে নতুন করে মেঘ ভাঙনের ফলে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে হতাহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় দুই পুরুষ এবং তিন শিশু নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এখন পর্যন্ত ৫৯২ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঞ্জাব সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল, যেখানে ১৩৫ জন নিহত এবং ৪৭০ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ায় প্রাণ গেছে ৪০ জনের, আহত হয়েছেন ৬৯ জন। সিন্ধুতে নিহত ২২ জন, আহত ৪০ জন। বেলুচিস্তানে মারা গেছেন ১৬ জন। আজাদ কাশ্মীরে একজনের মৃত্যু এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। গিলগিট-বালতিস্তানে তিনজন এবং ইসলামাবাদে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএ-র রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫টি বাড়ি ধসে পড়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে মোট ৮০৪টি বাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে এবং ২০০টি গবাদিপশু হারিয়ে গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাকিস্তানে ১০৪ জন শিশুর মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

পাকিস্তানে বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২১ জনে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৭৭ জন পুরুষ, ৪০ জন নারী এবং ১০৪ জন শিশু। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ; সেখানে মারা গেছেন ১৩৫ জন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, পাহাড়ি অঞ্চলে নতুন করে মেঘ ভাঙনের ফলে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে হতাহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় দুই পুরুষ এবং তিন শিশু নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এখন পর্যন্ত ৫৯২ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঞ্জাব সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল, যেখানে ১৩৫ জন নিহত এবং ৪৭০ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ায় প্রাণ গেছে ৪০ জনের, আহত হয়েছেন ৬৯ জন। সিন্ধুতে নিহত ২২ জন, আহত ৪০ জন। বেলুচিস্তানে মারা গেছেন ১৬ জন। আজাদ কাশ্মীরে একজনের মৃত্যু এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। গিলগিট-বালতিস্তানে তিনজন এবং ইসলামাবাদে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএ-র রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫টি বাড়ি ধসে পড়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে মোট ৮০৪টি বাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে এবং ২০০টি গবাদিপশু হারিয়ে গেছে।