ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঁচ ব্যাংকের লোকসানের দায়ভার সবার: গভর্নর

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 15

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, পাঁচ ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ভার সব পক্ষেরই রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি সতর্ক করেছেন, শুধু সরকার দায়িত্ব নেবে না; বরং প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সহায়তা প্রদান করেছে।

গভর্নর আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি ও মহল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে নিয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা করছে। ১ জানুয়ারি থেকে ব্যাংকের সব লেনদেন স্বাভাবিকভাবে চালু হয়েছে, আমানতে সর্বোচ্চ ৯.৫ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে এবং একবারে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন সম্ভব।

তিনি উল্লেখ করেন, আমানের বিপরীতে ঋণ নেওয়া এবং মুনাফা উত্তোলন করার সুযোগ রয়েছে, এবং ব্যাংকের রেজ্যুলেশন রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

ড. মনসুর জানান, শরিয়াহ্ কাউন্সিলের পরামর্শে বিগত দুই বছরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে মুনাফা প্রদান করা সম্ভব হয়নি, তবে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রাহকের দুরঅবস্থা বিবেচনা করে ৪ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে শুধুমাত্র নগদ জমা প্রদান করা হচ্ছে, এবং ইসলামী আইন অনুযায়ী সহায়তা মুনাফার আকারে নয়, বরং অনুদানের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে, যা সরকারের বাড়তি খরচ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

গভর্নর সতর্ক করেছেন, গুজব ও অপপ্রচারের ছড়াছড়ি বন্ধ না হলে তা গ্রাহক ও বাজারে অযাচিত উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাঁচ ব্যাংকের লোকসানের দায়ভার সবার: গভর্নর

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, পাঁচ ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ভার সব পক্ষেরই রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি সতর্ক করেছেন, শুধু সরকার দায়িত্ব নেবে না; বরং প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সহায়তা প্রদান করেছে।

গভর্নর আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি ও মহল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে নিয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা করছে। ১ জানুয়ারি থেকে ব্যাংকের সব লেনদেন স্বাভাবিকভাবে চালু হয়েছে, আমানতে সর্বোচ্চ ৯.৫ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে এবং একবারে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন সম্ভব।

তিনি উল্লেখ করেন, আমানের বিপরীতে ঋণ নেওয়া এবং মুনাফা উত্তোলন করার সুযোগ রয়েছে, এবং ব্যাংকের রেজ্যুলেশন রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

ড. মনসুর জানান, শরিয়াহ্ কাউন্সিলের পরামর্শে বিগত দুই বছরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে মুনাফা প্রদান করা সম্ভব হয়নি, তবে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রাহকের দুরঅবস্থা বিবেচনা করে ৪ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে শুধুমাত্র নগদ জমা প্রদান করা হচ্ছে, এবং ইসলামী আইন অনুযায়ী সহায়তা মুনাফার আকারে নয়, বরং অনুদানের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে, যা সরকারের বাড়তি খরচ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

গভর্নর সতর্ক করেছেন, গুজব ও অপপ্রচারের ছড়াছড়ি বন্ধ না হলে তা গ্রাহক ও বাজারে অযাচিত উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।