ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পল্টনে জামায়াতসহ ৮ দলের সমাবেশ দুপুরে

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 78

চলতি (নভেম্বর) মাসেই গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা দাবিতে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টনে সমাবেশের আয়োজন করেছে যুগপৎ কর্মসূচি চালিয়ে আসা জামায়াতে ইসলামীসহ ৮টি রাজনৈতিক দল।

জামায়াতে ইসলামী সহ দলগুলোর মধ্যে রয়েছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি।

এর আগে, গত ৭ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি জমা দেয় ৮টি দল। তবে স্মারকলিপি দেওয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে সাড়া না মেলায় মঙ্গলবার সমাবেশের কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে রাখা হয়েছিল।

সমাবেশ সফল করার জন্যে আট দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুর ২টায় রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন মোড়ে আন্দোলনরত দলগুলোর পক্ষ থেকে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনসহ ৫-দফা বাস্তবায়নের’ দাবিতে এক বিশাল সমাবেশ আয়োজন করা হবে।

সমাবেশে আন্দোলনরত দলগুলোর পক্ষে বক্তব্য রাখবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম পীরসাহেব চরমোনাই, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন। এ ছাড়াও দলগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।

যেসব দাবিতে আজকের সমাবেশ
১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করা।
২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে/উচ্চ কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা।
৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
৪. ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পল্টনে জামায়াতসহ ৮ দলের সমাবেশ দুপুরে

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

চলতি (নভেম্বর) মাসেই গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা দাবিতে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টনে সমাবেশের আয়োজন করেছে যুগপৎ কর্মসূচি চালিয়ে আসা জামায়াতে ইসলামীসহ ৮টি রাজনৈতিক দল।

জামায়াতে ইসলামী সহ দলগুলোর মধ্যে রয়েছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি।

এর আগে, গত ৭ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি জমা দেয় ৮টি দল। তবে স্মারকলিপি দেওয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে সাড়া না মেলায় মঙ্গলবার সমাবেশের কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে রাখা হয়েছিল।

সমাবেশ সফল করার জন্যে আট দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুর ২টায় রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন মোড়ে আন্দোলনরত দলগুলোর পক্ষ থেকে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনসহ ৫-দফা বাস্তবায়নের’ দাবিতে এক বিশাল সমাবেশ আয়োজন করা হবে।

সমাবেশে আন্দোলনরত দলগুলোর পক্ষে বক্তব্য রাখবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম পীরসাহেব চরমোনাই, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন। এ ছাড়াও দলগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।

যেসব দাবিতে আজকের সমাবেশ
১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করা।
২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে/উচ্চ কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা।
৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
৪. ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।