নোয়াখালীতে এক বছরেও উদ্ধার হয়নি থানার লুট হওয়া ২২ আগ্নেয়াস্ত্র
- সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
- / 132
নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী থানা থেকে লুট হওয়া ২২টি আগ্নেয়াস্ত্র এক বছরেও উদ্ধার হয়নি। এদিকে জুলাই-আগস্টে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তার ঘোষণা অনুযায়ী, কেউ যদি একটি এলএমজির তথ্য দিতে পারেন তাকে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাইমুড়ী থানা থেকে ৫৮টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র লুণ্ঠিত হয়েছে, যার মধ্যে ৪৫টি উদ্ধার করা হয়েছে। লুণ্ঠিত বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ ৪৭০৯টি, যার মধ্যে ২০৫০টি উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া লুণ্ঠিত ৭টি গ্যাস গান রয়েছে, যা সবই উদ্ধার করা হয়েছে। অনুদ্ধারকৃত ১৩টি অস্ত্রের মধ্যে ৪টি চায়না রাইফেল, একটি এসএমজি, ৩টি পিস্তল ও ৫টি শর্টগান রয়েছে।
চাটখিল থানা থেকে ৫৮টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র লুণ্ঠিত হয়, যার মধ্যে ৫১টি উদ্ধার করা হয়েছে। লুণ্ঠিত গোলাবারুদ ৫৪৯৩টি, যার মধ্যে ৩০০৩টি উদ্ধার হয়েছে। লুণ্ঠিত ৬টি গ্যাস গানের মধ্যে ৪টি উদ্ধার করা হয়েছে। অনুদ্ধারকৃত ৭টি অস্ত্রের মধ্যে ৩টি চায়না রাইফেল, একটি পিস্তল ও ৩টি শর্টগান রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, লুট হওয়া অস্ত্রগুলো দিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তারা চায় লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করা হোক।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহীম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, চাটখিল ও সোনাইমুড়ী থানায় লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৭টি চায়না রাইফেল, একটি এসএমজি, ৪টি পিস্তল, ৮টি শটগান এবং ২টি গ্যাসগান। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্রসহ অন্যান্য অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করছি। আমাদের লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব সব অস্ত্র উদ্ধার করে সঠিক কর্তৃপক্ষের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

































