ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেপালে বিক্ষোভে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে অগ্নিসংযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 111

নেপালের পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে অগ্নিসংযোগ

নেপালে টানা বিক্ষোভের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে ঢুকে একটি ভবনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন জেন জি প্রজন্মের তরুণ বিক্ষোভকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মূল পার্লামেন্ট ভবন অক্ষত থাকলেও প্রাঙ্গণ থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠতে দেখা গেছে।

ঘটনার কয়েক মিনিট আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন। এর আগে বিক্ষোভকারীরা অলির ভক্তপুরের বাসভবনসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। হাজারো বিক্ষোভকারী স্লোগান দিতে দিতে পার্লামেন্ট চত্বরে ঢুকে ভবনে ভাঙচুর চালায়।

এছাড়া বিক্ষোভকারীরা সিংহ দরবার প্রাঙ্গণের পশ্চিম ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাতেও আগুন ধরিয়ে দেয়। সিংহ দরবার নেপালের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত।

এই সহিংস আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে ঘিরে। যদিও সরকার পরে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়, কিন্তু ক্ষোভ প্রশমিত না হয়ে বরং আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নেপালে বিক্ষোভে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে অগ্নিসংযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালে টানা বিক্ষোভের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে ঢুকে একটি ভবনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন জেন জি প্রজন্মের তরুণ বিক্ষোভকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মূল পার্লামেন্ট ভবন অক্ষত থাকলেও প্রাঙ্গণ থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠতে দেখা গেছে।

ঘটনার কয়েক মিনিট আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন। এর আগে বিক্ষোভকারীরা অলির ভক্তপুরের বাসভবনসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। হাজারো বিক্ষোভকারী স্লোগান দিতে দিতে পার্লামেন্ট চত্বরে ঢুকে ভবনে ভাঙচুর চালায়।

এছাড়া বিক্ষোভকারীরা সিংহ দরবার প্রাঙ্গণের পশ্চিম ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাতেও আগুন ধরিয়ে দেয়। সিংহ দরবার নেপালের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত।

এই সহিংস আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে ঘিরে। যদিও সরকার পরে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়, কিন্তু ক্ষোভ প্রশমিত না হয়ে বরং আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস