ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণায় উৎসবমুখর আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বড়দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ (নেত্রকোণা)
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 93

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় প্রার্থনা, কীর্তন ও বর্ণিল সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদযাপন শুরু হয়েছে। শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই গীর্জাগুলোতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

বিরিশিরি এলাকার উৎরাইল ধর্মপল্লীসহ উপজেলার প্রায় ৭০টি গীর্জায় ভোরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। বড়দিনের এই প্রার্থনায় অংশ নিতে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ বিপুলসংখ্যক খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী গীর্জায় সমবেত হন। প্রার্থনায় যীশু খ্রিষ্টের জন্মের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশ্বে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা, মানবতার কল্যাণ এবং সার্বিক শান্তির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা হয়।

প্রার্থনা শেষে যীশু খ্রিষ্টের জন্মের সুসংবাদ ছড়িয়ে দিতে ধর্মপল্লীর বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে কীর্তন পরিবেশন করেন খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সদস্যরা। কীর্তন ও ধর্মীয় গানের মাধ্যমে বড়দিনের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।

বড়দিন উপলক্ষে গীর্জাগুলোকে সাজানো হয়েছে বেলুন, ফুল, রঙিন কাগজ ও আলোকসজ্জায়। গীর্জার ভেতরে গোয়ালঘরের আদলে সাজানো হয়েছে শিশু যীশু খ্রিষ্ট, মা কুমারী মেরি, যোশেফ, তিন জ্ঞানী ও রাখালদের প্রতিকৃতি। গোয়ালঘরের ওপর আলোকোজ্জ্বল তারা বড়দিনের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। একইভাবে খ্রিষ্টান ধর্মপল্লীর বাড়িঘরও সাজানো হয়েছে নানা রঙ ও আলোয়।

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা জানান, বড়দিন তাদের সবচেয়ে আনন্দের ও তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এ দিনে তারা পরস্পরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পৃথিবীতে যেন শান্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠিত হয় সেজন্য প্রার্থনা করেন।

বড়দিনের উৎসব নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান জানান, বড়দিন উপলক্ষে গীর্জা ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নেত্রকোণায় উৎসবমুখর আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বড়দিন

সর্বশেষ আপডেট ০১:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় প্রার্থনা, কীর্তন ও বর্ণিল সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদযাপন শুরু হয়েছে। শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই গীর্জাগুলোতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

বিরিশিরি এলাকার উৎরাইল ধর্মপল্লীসহ উপজেলার প্রায় ৭০টি গীর্জায় ভোরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। বড়দিনের এই প্রার্থনায় অংশ নিতে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ বিপুলসংখ্যক খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী গীর্জায় সমবেত হন। প্রার্থনায় যীশু খ্রিষ্টের জন্মের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশ্বে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা, মানবতার কল্যাণ এবং সার্বিক শান্তির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা হয়।

প্রার্থনা শেষে যীশু খ্রিষ্টের জন্মের সুসংবাদ ছড়িয়ে দিতে ধর্মপল্লীর বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে কীর্তন পরিবেশন করেন খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সদস্যরা। কীর্তন ও ধর্মীয় গানের মাধ্যমে বড়দিনের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।

বড়দিন উপলক্ষে গীর্জাগুলোকে সাজানো হয়েছে বেলুন, ফুল, রঙিন কাগজ ও আলোকসজ্জায়। গীর্জার ভেতরে গোয়ালঘরের আদলে সাজানো হয়েছে শিশু যীশু খ্রিষ্ট, মা কুমারী মেরি, যোশেফ, তিন জ্ঞানী ও রাখালদের প্রতিকৃতি। গোয়ালঘরের ওপর আলোকোজ্জ্বল তারা বড়দিনের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। একইভাবে খ্রিষ্টান ধর্মপল্লীর বাড়িঘরও সাজানো হয়েছে নানা রঙ ও আলোয়।

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা জানান, বড়দিন তাদের সবচেয়ে আনন্দের ও তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এ দিনে তারা পরস্পরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পৃথিবীতে যেন শান্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠিত হয় সেজন্য প্রার্থনা করেন।

বড়দিনের উৎসব নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান জানান, বড়দিন উপলক্ষে গীর্জা ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।