নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ দল থাকবে : ইসি
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
- / 11
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র স্বতন্ত্র উদ্যোগে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চালাবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এই প্রতিনিধি দল আনুষ্ঠানিক বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে নিবন্ধিত নয়। নির্বাচন কমিশন বলছে, পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে মার্কিন প্রতিনিধিরা নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি স্বাধীন প্রতিনিধি দল পাঠাবে, যাদের সঙ্গে ঢাকায় অবস্থিত দূতাবাসের কয়েকজন কর্মকর্তা নিজ উদ্যোগে ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।
ইসি জানায়, এই প্রতিনিধি দল ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলে ভোট পর্যবেক্ষণ করবে। তারা কোথায় যাবেন, তার তালিকা কমিশনকে দেবেন বলে জানিয়েছেন। তালিকা পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। এ বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি জানানো হয়নি।
ভোটের দিন যান চলাচল সীমিত থাকবে কি না, জানতে চাইলে ইসি জানায়, বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। কোন সময় ও কোন ধরনের যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে, তা মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে।
বৈঠকে ব্যালট পেপারের নকশা, মুদ্রণ পদ্ধতি এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে মার্কিন প্রতিনিধিদের অবহিত করা হয়। আখতার আহমেদ জানান, তারা পুরো প্রক্রিয়াটি জটিল ও শ্রমসাধ্য বলে মন্তব্য করলেও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেননি মার্কিন প্রতিনিধিরা। বরং তারা অভিযোগ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহ দেখান। ইসি তাদের জানায়, অভিযোগ নিষ্পত্তিতে কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সেল, অনুসন্ধান কমিটি এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে কাজ করছেন। সম্প্রতি একটি জেলা থেকে পাওয়া অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও জানানো হয়।
নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ নিরাপত্তা কর্মী বিভিন্ন স্তরে মোতায়েন থাকবে। এই বিশাল নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিও মার্কিন প্রতিনিধিদের অবহিত করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বতন্ত্র পর্যবেক্ষণ উদ্যোগের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি কাঠামো আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে বলে ইসির বক্তব্যে উঠে এসেছে।
































