নির্বাচনকালীন ৬ দিন যেসব স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
- / 8
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সময় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগামী ১০ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ দিয়েছে। এই ছয়দিনে সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে জরুরি প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঘোষণা করেছে, নির্বাচনের ছয়দিনকে কেন্দ্র করে দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বিশেষ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। জরুরি বিভাগ, ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম এবং অ্যাম্বুলেন্স সর্বদা প্রস্তুত রাখতে হবে।
মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হবে সিটি কর্পোরেশন থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে। প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনে ৬টি, বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত ১টি মেডিকেল টিম থাকবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক জনবল ও প্রয়োজন অনুযায়ী সদস্য নির্ধারণ করবেন।
নির্বাচনকালীন সময়ে রোগীর চাপ বেড়ে গেলে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে দায়িত্ব পালন করতে হবে; অনুপস্থিত থাকলে যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিয়ে তার নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানাতে হবে।
বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জন্যও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। চিকিৎসক সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকবেন, জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার পর রোগীকে প্রয়োজন অনুযায়ী রেফার করতে হবে, এবং সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে লজিস্টিক, জনবল ও অ্যাম্বুলেন্স সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। জরুরি বিভাগ, ভর্তি বিভাগ, ল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, ক্যাথল্যাব, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার খোলা রাখতে হবে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম থাকবে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ব্যবস্থা নির্বাচনকালীন জনসমাগম ও সম্ভাব্য সহিংস পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, ভোটের সময় দেশের স্বাস্থ্যসেবা নির্বিঘ্নভাবে চলা নিশ্চিত করা।

































