ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাশকতা ঠেকাতে মাঠে জামায়াত-এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 60

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ (সোমবার)। এই রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যেন কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে, সেই লক্ষ্য নিয়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী দলগুলো মাঠে থাকবে। এনসিপি-বিএনপিও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দলগুলো বলছে, কোথাও জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করবে।

ফ্যাসিবাদ বিরোধী নেতারা বলেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে। হাজার হাজার মানুষ গুম, খুন ও হত্যার শিকার হয়েছে। তাদের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ভয়াবহ গণহত্যা চালানো হয়েছে। নেতারা বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তারপরেও তারা থামেনি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার গণহত্যার বিরুদ্ধে যেটা হয়েছে তার রায় বের হবে। এই নিয়ে চরম একটা অনিশ্চয়তা, একটা আতঙ্ক সারাদেশে বিরাজ করছে। একটা মহল বাংলাদেশে আবার নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে। আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।’

৮ দলের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামী’র সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘নাশকতা ঠেকানোর দায়িত্ব মূলত সরকারের। তবে আমাদের নেতাকর্মীরা আগের মতোই মাঠে থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তারা পাহারা দেবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক-উস-সালেহীন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদীদের নাশকতা রোধে এনসিপির নেতাকর্মীরাও মাঠে থাকবেন।’

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তাদের মাঠে নামার সুযোগ নেই। আমরা আমাদের জায়গা থেকে রাজপথে থাকব।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নাশকতা ঠেকাতে মাঠে জামায়াত-এনসিপি

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ (সোমবার)। এই রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যেন কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে, সেই লক্ষ্য নিয়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী দলগুলো মাঠে থাকবে। এনসিপি-বিএনপিও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দলগুলো বলছে, কোথাও জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করবে।

ফ্যাসিবাদ বিরোধী নেতারা বলেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে। হাজার হাজার মানুষ গুম, খুন ও হত্যার শিকার হয়েছে। তাদের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ভয়াবহ গণহত্যা চালানো হয়েছে। নেতারা বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তারপরেও তারা থামেনি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার গণহত্যার বিরুদ্ধে যেটা হয়েছে তার রায় বের হবে। এই নিয়ে চরম একটা অনিশ্চয়তা, একটা আতঙ্ক সারাদেশে বিরাজ করছে। একটা মহল বাংলাদেশে আবার নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে। আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।’

৮ দলের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামী’র সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘নাশকতা ঠেকানোর দায়িত্ব মূলত সরকারের। তবে আমাদের নেতাকর্মীরা আগের মতোই মাঠে থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তারা পাহারা দেবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক-উস-সালেহীন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদীদের নাশকতা রোধে এনসিপির নেতাকর্মীরাও মাঠে থাকবেন।’

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তাদের মাঠে নামার সুযোগ নেই। আমরা আমাদের জায়গা থেকে রাজপথে থাকব।’