নাগরিক পরিষদে দ্বন্দ্ব: বহিস্কার ও কমিটি নিয়ে উত্তাপ
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
- / 97
পার্বত্য চট্টগ্রামের নাগরিক পরিষদে বহিস্কার ও কমিটি গঠনের ঘটনায় উত্তাপ দেখা দিয়েছে। সংগঠনটি মো: মজিবর রহমানকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিস্কার করেছে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তর্ক ও সমালোচনা বেড়েছে, পক্ষ-বিপক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করছেন।
গতকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর) নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত নোটিশে মজিবর রহমানকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করেন। অভিযোগ ছিল, মজিবর রহমান সংগঠনের নাম ব্যবহার করে অন্য রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম চালিয়েছেন, গঠনতন্ত্র মানেননি এবং সংগঠনকে বিতর্কিত করেছেন।
নাগরিক পরিষদের নেতারা বলেন, মজিবর রহমান কেন্দ্রকে না জানিয়ে গোপনে নানা কার্যকলাপ চালাচ্ছিলেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি তিনি বাইরে গিয়ে আওয়ামী লীগের নমিনেশন সংগ্রহ করেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত ভাষ্য দিয়ে সংগঠনের মান ক্ষুণ্ণ করেন। কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়ার পরও কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় অবশেষে তাঁকে বহিস্কার করা হয়েছে।
একই সময়, ২০ নভেম্বর তিনি কোনো সিনিয়র নেতাকে না জানিয়ে ২৬ সদস্যের কমিটির মধ্যে ১৭ সদস্যকে নিয়ে ভোট গ্রহণ করে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। এতে নিজেকে সভাপতি এবং মো: শাব্বির আহমেদকে মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত করেন। সিনিয়র নেতারা এই কমিটি ও ভোট গ্রহণকে অবৈধ হিসেবে দাবি করেন।
মজিবর রহমান জানিয়েছেন, কোনো বহিস্কার হয়নি। তিনি দাবি করেছেন, এটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরাজিতদের হঠকারিতা। অন্যদিকে নবগঠিত কমিটির মহাসচিব মো: শাব্বির আহমেদ বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নবগঠিত কমিটি গঠনের ক্ষমতা রয়েছে এবং দলীয়ভাবে কোনো বহিস্কার হয়নি।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া বলেন, বৈঠকে সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন না, সুতরাং ১৭ সদস্যকে নিয়ে কমিটি গঠন ও ভোট গ্রহণ অবৈধ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মজিবরের কার্যক্রম সংগঠনের গঠনতন্ত্র বিরুদ্ধ এবং সংগঠনের মান ক্ষুণ্ণ করেছে।


































