ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাকে খত দিয়ে রাজনীতি ছেড়ে দিবেন রাশেদ খাঁন!

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 79

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, তার বিরুদ্ধে যদি দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি বা দখলবাজির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তিনি নাকে খত রেখে রাজনীতি থেকে নিজেই সরে দাঁড়াবেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার শৈলমারী বাজার এলাকায় গণসংযোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ খাঁনের দাবি, এবারকার জাতীয় নির্বাচন হবে সবচেয়ে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ ভয়ভীতির রাজনীতি আর মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, কেন্দ্র দখল বা ভোট কারচুপির সুযোগ থাকছে না— আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনী মাঠে প্রস্তুত রয়েছে।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি আপনাদের ভাই; নেতা হতে আসিনি। আমার চেয়ে উন্নত, সৎ ও যোগ্য কোনো প্রার্থী থাকলে তাকেই ভোট দেবেন। আমিও তাকে ভোট দেবো।”

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার বা বীজ পাচ্ছেন না, আর শিক্ষা ব্যবস্থা গত ১৬ বছরে ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশের কৃষি ও শিক্ষা বাঁচাতে নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি প্রভাষক মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি রিহান হোসেন রায়হান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি রাসেল আহমেদ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নাকে খত দিয়ে রাজনীতি ছেড়ে দিবেন রাশেদ খাঁন!

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, তার বিরুদ্ধে যদি দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি বা দখলবাজির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তিনি নাকে খত রেখে রাজনীতি থেকে নিজেই সরে দাঁড়াবেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার শৈলমারী বাজার এলাকায় গণসংযোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ খাঁনের দাবি, এবারকার জাতীয় নির্বাচন হবে সবচেয়ে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ ভয়ভীতির রাজনীতি আর মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, কেন্দ্র দখল বা ভোট কারচুপির সুযোগ থাকছে না— আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনী মাঠে প্রস্তুত রয়েছে।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি আপনাদের ভাই; নেতা হতে আসিনি। আমার চেয়ে উন্নত, সৎ ও যোগ্য কোনো প্রার্থী থাকলে তাকেই ভোট দেবেন। আমিও তাকে ভোট দেবো।”

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার বা বীজ পাচ্ছেন না, আর শিক্ষা ব্যবস্থা গত ১৬ বছরে ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশের কৃষি ও শিক্ষা বাঁচাতে নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি প্রভাষক মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি রিহান হোসেন রায়হান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি রাসেল আহমেদ।