ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নন-ক্যাডারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হলেন ১১১ জন

বাংলা অ্যাফেয়ার্স ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 140

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১১১ জনকে নন-ক্যাডারের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ বুধবার তাদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ডা. ফাহিম ইকবাল জাগীরদার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদস্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৪ সালের একটি স্মারকের ভিত্তিতে এ নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়। তাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণবিহীন) হিসেবে দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী গ্রেড–১২ (১১,৩০০–২৭,৩০০ টাকা) স্কেলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রাপ্তদের প্রথমে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কেউ অযোগ্য বিবেচিত হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে। শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনক হলে বিধি অনুযায়ী স্থায়ী করা হবে। এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের মেধা তালিকা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। কেউ বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে। চাকরি সরকারের প্রচলিত বিধি–বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং ভবিষ্যতে প্রণীত নতুন নীতিমালাও প্রযোজ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়। নিয়োগের পর কোনো ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা প্রদান করা হবে না।

এতে বলা হয়, প্রশিক্ষণবিহীন প্রার্থীদের চার বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণ (বিটিপিটি) সম্পন্ন করতে হবে। কেউ মিথ্যা বা ভুয়া সনদপত্র দিলে নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করলে নিয়োগ আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে যোগদানপত্র জমা দেবেন। অফিসার প্রত্যয়নপত্র প্রদানের পর প্রার্থীরা বিদ্যালয়ে যোগ দেবেন। ওই তারিখই চাকরিতে যোগদানের দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নন-ক্যাডারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হলেন ১১১ জন

সর্বশেষ আপডেট ১০:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১১১ জনকে নন-ক্যাডারের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ বুধবার তাদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ডা. ফাহিম ইকবাল জাগীরদার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদস্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৪ সালের একটি স্মারকের ভিত্তিতে এ নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়। তাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণবিহীন) হিসেবে দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী গ্রেড–১২ (১১,৩০০–২৭,৩০০ টাকা) স্কেলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রাপ্তদের প্রথমে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কেউ অযোগ্য বিবেচিত হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে। শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনক হলে বিধি অনুযায়ী স্থায়ী করা হবে। এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের মেধা তালিকা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। কেউ বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে। চাকরি সরকারের প্রচলিত বিধি–বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং ভবিষ্যতে প্রণীত নতুন নীতিমালাও প্রযোজ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়। নিয়োগের পর কোনো ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা প্রদান করা হবে না।

এতে বলা হয়, প্রশিক্ষণবিহীন প্রার্থীদের চার বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণ (বিটিপিটি) সম্পন্ন করতে হবে। কেউ মিথ্যা বা ভুয়া সনদপত্র দিলে নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করলে নিয়োগ আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে যোগদানপত্র জমা দেবেন। অফিসার প্রত্যয়নপত্র প্রদানের পর প্রার্থীরা বিদ্যালয়ে যোগ দেবেন। ওই তারিখই চাকরিতে যোগদানের দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।