ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধামরাইয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া, স্বামীর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ধামরাই
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 115

মরদেহ

ঢাকার ধামরাইয়ে সোহেল রানা নামে এক যুবকের মরদেহ তার নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে চৌহাট ইউনিয়নের ছোট ভাকুলিয়া গ্রামের বাড়ি থেকে মরদেহটি পাওয়া যায়।

নিহত সোহেল রানা ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের ছোট ভাকুলিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যার দিকে সোহেল তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করেন এবং ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। এরপর তিনি ক্যারম খেলার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি ফেরেন এবং ঘুমাতে যান। রাত ১টার দিকে তার স্ত্রী সুরিয়া বেগম শ্বশুরকে ডেকে জানান, সোহেল মারা গেছেন। স্ত্রী দাবি করেছেন, সোহেল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

প্রশ্নের উত্তরে সুরিয়া বেগম সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রী উভয়ে বিভিন্ন মামলার আসামি। তারা একসঙ্গে কারাগারে থাকার সময় পরিচয় হয়ে বিয়ে করেছেন। একইসঙ্গে তারা চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সোহেলের স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, যাতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যায়।

ধামরাই থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, সোহেল রানার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।

এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, সোহেলের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র ও চাপাতিসহ বিভিন্ন অস্ত্র রয়েছে। তবে পিস্তলের বিষয়ে পুলিশ কোনো তথ্য জানাননি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ধামরাইয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া, স্বামীর মরদেহ উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকার ধামরাইয়ে সোহেল রানা নামে এক যুবকের মরদেহ তার নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে চৌহাট ইউনিয়নের ছোট ভাকুলিয়া গ্রামের বাড়ি থেকে মরদেহটি পাওয়া যায়।

নিহত সোহেল রানা ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের ছোট ভাকুলিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যার দিকে সোহেল তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করেন এবং ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। এরপর তিনি ক্যারম খেলার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি ফেরেন এবং ঘুমাতে যান। রাত ১টার দিকে তার স্ত্রী সুরিয়া বেগম শ্বশুরকে ডেকে জানান, সোহেল মারা গেছেন। স্ত্রী দাবি করেছেন, সোহেল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

প্রশ্নের উত্তরে সুরিয়া বেগম সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রী উভয়ে বিভিন্ন মামলার আসামি। তারা একসঙ্গে কারাগারে থাকার সময় পরিচয় হয়ে বিয়ে করেছেন। একইসঙ্গে তারা চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সোহেলের স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, যাতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যায়।

ধামরাই থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, সোহেল রানার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।

এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, সোহেলের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র ও চাপাতিসহ বিভিন্ন অস্ত্র রয়েছে। তবে পিস্তলের বিষয়ে পুলিশ কোনো তথ্য জানাননি।