ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
অভিযোগটি অস্বীকার

ধর্ষণের অভিযোগে হাকিমির বিচার দাবি

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 224

ধর্ষণের অভিযোগে হাকিমির বিচার দাবি

২০২৩ সালে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফরাসি কৌঁসুলিরা পিএসজি তারকা আশরাফ হাকিমির বিচারের দাবি তুলেছেন। যদিও মরক্কোর এই রাইটব্যাক অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন।

নঁতের কৌঁসুলির দপ্তর বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, তদন্তে নিয়োজিত বিচারককে ফৌজদারি আদালতে এই অভিযোগ গঠনের অনুরোধ করেছেন তারা। কৌঁসুলির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিজের আদেশ কাঠামোর ভেতরে থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার এখন তদন্তে নিয়োজিত ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর।’

হাকিমির বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্যারিসের উপকণ্ঠে বুলান-বিয়ানকুতে নিজের বাসায় ওই নারীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। এ সময় হাকিমির স্ত্রী ও সন্তান ছুটি কাটাতে বাইরে ছিলেন। পরবর্তীতে ওই নারী পুলিশ স্টেশনে গিয়ে অভিযোগ করেন, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করতে চাননি। এরপর কৌঁসুলিরা নিজ উদ্যোগে মামলা গঠন করেন।

এ বিষয়ে ২৪ বছর বয়সী ওই নারী জানিয়েছিলেন, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে হাকিমির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর এক রাতে ট্যাক্সি করে হাকিমির বাসায় যান। সেখানে হাকিমি তার সম্মতি ছাড়াই শরীর স্পর্শ করেন এবং ধর্ষণ করেন। তিনি ফোনে এক বন্ধুকে খবর দিয়ে ডেকে আনেন, যিনি তাকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

হাকিমির আইনজীবী ফ্যানি কোলিন মন্তব্য করেছেন, ‘কৌঁসুলির এই সিদ্ধান্ত বোধগম্য নয় এবং অর্থহীন। আমরা এখনও শান্ত আছি এবং মামলা মোকাবিলায় সব রকমের পথ অনুসরণ করব।’ কোলিন আরও দাবি করেন, তার মক্কেল আশরাফ হাকিমি ‘পরিকল্পিতভাবে অন্যায় দাবির শিকার।’

অন্যদিকে অভিযোগকারী নারীর আইনজীবী র‍্যাচেল-ফ্লোর প্রাদো এএফপিকে জানান, ‘এই মামলার কোনো কিছুতেই অন্যায় দাবির আলামত নেই। আমার মক্কেল হাকিমিকে বিচারের মুখোমুখি করা নিয়ে অনেক স্বস্তি পেয়েছেন।’

হাকিমির জন্ম মাদ্রিদের দক্ষিণাঞ্চলের উপশহর হেতাফেতে। তার মা–বাবা দুজনেই মরক্কোর নাগরিক। রিয়াল মাদ্রিদের বয়সভিত্তিক দলে বেড়ে ওঠা হাকিমি ২০১৮ সালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে যোগ দেন এবং ২০২০ সালে ইন্টার মিলানে চলে যান। পরবর্তীতে ২০২১ সালে পিএসজিতে যোগ দিয়ে ক্লাবটির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন তিনি।

গত মে মাসে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে পিএসজির ৫–০ গোলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন হাকিমি। সেই ম্যাচে পিএসজির প্রথম গোলটি করেন তিনি। ২০২২ বিশ্বকাপে মরক্কোকে সেমিফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তার অবদান ছিল অসীম।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অভিযোগটি অস্বীকার

ধর্ষণের অভিযোগে হাকিমির বিচার দাবি

সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

২০২৩ সালে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফরাসি কৌঁসুলিরা পিএসজি তারকা আশরাফ হাকিমির বিচারের দাবি তুলেছেন। যদিও মরক্কোর এই রাইটব্যাক অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন।

নঁতের কৌঁসুলির দপ্তর বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, তদন্তে নিয়োজিত বিচারককে ফৌজদারি আদালতে এই অভিযোগ গঠনের অনুরোধ করেছেন তারা। কৌঁসুলির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিজের আদেশ কাঠামোর ভেতরে থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার এখন তদন্তে নিয়োজিত ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর।’

হাকিমির বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্যারিসের উপকণ্ঠে বুলান-বিয়ানকুতে নিজের বাসায় ওই নারীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। এ সময় হাকিমির স্ত্রী ও সন্তান ছুটি কাটাতে বাইরে ছিলেন। পরবর্তীতে ওই নারী পুলিশ স্টেশনে গিয়ে অভিযোগ করেন, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করতে চাননি। এরপর কৌঁসুলিরা নিজ উদ্যোগে মামলা গঠন করেন।

এ বিষয়ে ২৪ বছর বয়সী ওই নারী জানিয়েছিলেন, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে হাকিমির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর এক রাতে ট্যাক্সি করে হাকিমির বাসায় যান। সেখানে হাকিমি তার সম্মতি ছাড়াই শরীর স্পর্শ করেন এবং ধর্ষণ করেন। তিনি ফোনে এক বন্ধুকে খবর দিয়ে ডেকে আনেন, যিনি তাকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

হাকিমির আইনজীবী ফ্যানি কোলিন মন্তব্য করেছেন, ‘কৌঁসুলির এই সিদ্ধান্ত বোধগম্য নয় এবং অর্থহীন। আমরা এখনও শান্ত আছি এবং মামলা মোকাবিলায় সব রকমের পথ অনুসরণ করব।’ কোলিন আরও দাবি করেন, তার মক্কেল আশরাফ হাকিমি ‘পরিকল্পিতভাবে অন্যায় দাবির শিকার।’

অন্যদিকে অভিযোগকারী নারীর আইনজীবী র‍্যাচেল-ফ্লোর প্রাদো এএফপিকে জানান, ‘এই মামলার কোনো কিছুতেই অন্যায় দাবির আলামত নেই। আমার মক্কেল হাকিমিকে বিচারের মুখোমুখি করা নিয়ে অনেক স্বস্তি পেয়েছেন।’

হাকিমির জন্ম মাদ্রিদের দক্ষিণাঞ্চলের উপশহর হেতাফেতে। তার মা–বাবা দুজনেই মরক্কোর নাগরিক। রিয়াল মাদ্রিদের বয়সভিত্তিক দলে বেড়ে ওঠা হাকিমি ২০১৮ সালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে যোগ দেন এবং ২০২০ সালে ইন্টার মিলানে চলে যান। পরবর্তীতে ২০২১ সালে পিএসজিতে যোগ দিয়ে ক্লাবটির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন তিনি।

গত মে মাসে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে পিএসজির ৫–০ গোলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন হাকিমি। সেই ম্যাচে পিএসজির প্রথম গোলটি করেন তিনি। ২০২২ বিশ্বকাপে মরক্কোকে সেমিফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তার অবদান ছিল অসীম।