ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নৌপরিবহন উপদেষ্টা

দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 76

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। ফাইল ছবি

দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধনকালে তিনি কথা বলেন। এ সময় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন

বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর বিষয় তিনি বলেন, ট্যারিফ বাড়ানোর আগে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা বলেছি। এখন শ্রমিকরা বলছে তাদের সঙ্গে কথা হয়নি।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে ৪০ বছর ধরে বন্দর চলছিল। ৪০ বছর পরে বন্দর তাদের ট্যারিফ হালনাগাদ করেছে। তারপরেও যেহেতু ব্যবসায়ীদের অভিযোগ এসেছে সেটির বিষয়ে আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষকে পর্যালোচনার অনুরোধ জানাবো।

উপদেষ্টা বলেন, বন্দর নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলবে। উন্নতি করতে হলে প্রযুক্তি, টাকা পয়সার দরকার আছে। বন্দরকে ঘিরে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। উন্নত দেশের বেশিরভাগ বন্দর অপারেটররা চালাচ্ছে। আমরা কেন পিছিয়ে যাবো। তাই আমরাও চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, যারা বিজনেস করে তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। ১০ হাজার কনটেইনার রাখার ক্যাপাসিটি বাড়বে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা

দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধনকালে তিনি কথা বলেন। এ সময় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন

বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর বিষয় তিনি বলেন, ট্যারিফ বাড়ানোর আগে ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা বলেছি। এখন শ্রমিকরা বলছে তাদের সঙ্গে কথা হয়নি।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে ৪০ বছর ধরে বন্দর চলছিল। ৪০ বছর পরে বন্দর তাদের ট্যারিফ হালনাগাদ করেছে। তারপরেও যেহেতু ব্যবসায়ীদের অভিযোগ এসেছে সেটির বিষয়ে আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষকে পর্যালোচনার অনুরোধ জানাবো।

উপদেষ্টা বলেন, বন্দর নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলবে। উন্নতি করতে হলে প্রযুক্তি, টাকা পয়সার দরকার আছে। বন্দরকে ঘিরে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। উন্নত দেশের বেশিরভাগ বন্দর অপারেটররা চালাচ্ছে। আমরা কেন পিছিয়ে যাবো। তাই আমরাও চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, যারা বিজনেস করে তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। ১০ হাজার কনটেইনার রাখার ক্যাপাসিটি বাড়বে।