ঢাকা ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুস্থদের ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে উধাও সমাজসেবা কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, নেত্রকোনা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 84

দুস্থদের ৩৪ লাখ টাকা নিয়ে উধাও সমাজসেবা কর্মকর্তা

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। তিনি দুস্থ ও ভিক্ষুক পুনর্বাসন, প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি, মাতৃকেন্দ্র ঋণ কর্মসূচি এবং ক্ষুদ্রঋণসহ বিভিন্ন খাত থেকে টাকা তুলে উধাও হয়ে গেছেন।

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাইয়ের পর থেকে তিনি অফিসে আসেননি। এর আগে কার্যালয়ের ব্যাংক হিসাবে থাকা টাকা জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে উত্তোলন করেন। বিষয়টি ধরা পড়লে জেলা সমাজসেবা কার্যালয় তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদনে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

তদন্তে দেখা গেছে, প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি থেকে প্রায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার, মাতৃকেন্দ্র ঋণ কর্মসূচি থেকে ৫ লাখ ১৩ হাজার, ভিক্ষুক পুনর্বাসন প্রকল্প থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার এবং ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম থেকে ২২ লাখ ৪৭ হাজার টাকাসহ মোট ৩৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

কর্মচারী ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সরকারি অর্থ ছাড়াও বিভিন্ন অজুহাতে তাঁদের কাছ থেকেও তিনি লাখ টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন। অনেকেই মনে করেন, পরিবারের অসুস্থতার কথা বলে তিনি তাঁদের কাছ থেকেও টাকা সংগ্রহ করেছেন।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শাহ আলম জানিয়েছেন, তদন্তে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় শিগগিরই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হবে, চাকরি হারাবেন এবং আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত দিতে হবে।

বর্তমানে মোজাম্মেল হকের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুস্থদের ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে উধাও সমাজসেবা কর্মকর্তা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। তিনি দুস্থ ও ভিক্ষুক পুনর্বাসন, প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি, মাতৃকেন্দ্র ঋণ কর্মসূচি এবং ক্ষুদ্রঋণসহ বিভিন্ন খাত থেকে টাকা তুলে উধাও হয়ে গেছেন।

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাইয়ের পর থেকে তিনি অফিসে আসেননি। এর আগে কার্যালয়ের ব্যাংক হিসাবে থাকা টাকা জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে উত্তোলন করেন। বিষয়টি ধরা পড়লে জেলা সমাজসেবা কার্যালয় তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদনে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

তদন্তে দেখা গেছে, প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি থেকে প্রায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার, মাতৃকেন্দ্র ঋণ কর্মসূচি থেকে ৫ লাখ ১৩ হাজার, ভিক্ষুক পুনর্বাসন প্রকল্প থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার এবং ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম থেকে ২২ লাখ ৪৭ হাজার টাকাসহ মোট ৩৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

কর্মচারী ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সরকারি অর্থ ছাড়াও বিভিন্ন অজুহাতে তাঁদের কাছ থেকেও তিনি লাখ টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন। অনেকেই মনে করেন, পরিবারের অসুস্থতার কথা বলে তিনি তাঁদের কাছ থেকেও টাকা সংগ্রহ করেছেন।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শাহ আলম জানিয়েছেন, তদন্তে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় শিগগিরই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হবে, চাকরি হারাবেন এবং আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত দিতে হবে।

বর্তমানে মোজাম্মেল হকের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।