ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুদকের নজরে এনবিআরের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / 224

দুদকের নজরে এনবিআরের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ছয়জন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (২৯ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।

দুদক জানায়, এনবিআরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন। এদের মধ্যে কিছু কর্মকর্তা নিজেরাও লাভবান হচ্ছেন, কর কমিয়ে দিয়ে কিংবা ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি করে।

আকতারুল ইসলাম বলেন, “অনেক করদাতা অগ্রিম কর দেন, কেউ কেউ বেশি কর দেন। নিয়ম অনুযায়ী কর পুনঃগণনা করে অতিরিক্ত অংশ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও এর জন্য ঘুষ দিতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে ঘুষ না দিলে ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া থেমে যায়।” তিনি আরও জানান, এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে যাতে কর ফেরত নিতে করদাতাকে নিজের টাকার অর্ধেকের মতো ঘুষ বা উপহার দিতে হয়।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, গত দুই থেকে আড়াই দশক ধরে বিভিন্ন স্টেশনে কর্মরত অবস্থায় এক শ্রেণির কর কর্মকর্তা নানা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর ফাঁকির সুবিধা দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন। এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্রের রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে, অন্যদিকে বাড়িয়েছে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং অনিয়ম।

যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে তারা হলেন: এ কে এম বদিউল আলম, মির্জা আশিক রানা, মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান, মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, হাছান তারেক রিকাবদার, সাধন কুমার কুন্ডু।

এদিকে একইদিন (রোববার) সরকার এনবিআরের চলমান অচলাবস্থা নিরসনে কঠোর বার্তা দিয়েছে। বলা হয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত কর্মস্থলে না ফিরলে সরকার জনগণ ও অর্থনীতির স্বার্থে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুদকের নজরে এনবিআরের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ছয়জন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (২৯ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।

দুদক জানায়, এনবিআরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন। এদের মধ্যে কিছু কর্মকর্তা নিজেরাও লাভবান হচ্ছেন, কর কমিয়ে দিয়ে কিংবা ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি করে।

আকতারুল ইসলাম বলেন, “অনেক করদাতা অগ্রিম কর দেন, কেউ কেউ বেশি কর দেন। নিয়ম অনুযায়ী কর পুনঃগণনা করে অতিরিক্ত অংশ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও এর জন্য ঘুষ দিতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে ঘুষ না দিলে ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া থেমে যায়।” তিনি আরও জানান, এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে যাতে কর ফেরত নিতে করদাতাকে নিজের টাকার অর্ধেকের মতো ঘুষ বা উপহার দিতে হয়।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, গত দুই থেকে আড়াই দশক ধরে বিভিন্ন স্টেশনে কর্মরত অবস্থায় এক শ্রেণির কর কর্মকর্তা নানা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর ফাঁকির সুবিধা দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন। এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্রের রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে, অন্যদিকে বাড়িয়েছে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং অনিয়ম।

যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে তারা হলেন: এ কে এম বদিউল আলম, মির্জা আশিক রানা, মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান, মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, হাছান তারেক রিকাবদার, সাধন কুমার কুন্ডু।

এদিকে একইদিন (রোববার) সরকার এনবিআরের চলমান অচলাবস্থা নিরসনে কঠোর বার্তা দিয়েছে। বলা হয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত কর্মস্থলে না ফিরলে সরকার জনগণ ও অর্থনীতির স্বার্থে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।