ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীঘিনালায় শান্তিপূর্ণভাবে বিজয়াদশমী সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, দীঘিনালা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 112

দীঘিনালায় শান্তিপূর্ণভাবে বিজয়াদশমী সম্পন্ন

শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বিজয়াদশমী বৃহস্পতিবার দীঘিনালায় পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুর খেলা, আরতি ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানো হয়।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে পূজার অঞ্জলি প্রদান শুরু হয়। পুরোহিতের সঙ্গে মন্ত্রপাঠ করে ভক্তরা হাতে থাকা ফুল দেবীকে অর্পণ করেন। উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনির মধ্য দিয়ে তিন দফায় অঞ্জলি দেওয়া হয়। বেলা ১১টার দিকে সিঁদুর খেলার আয়োজন করা হয়। দেবীর পায়ে সিঁদুর মেখে ভক্তরা একে একে পূজা সম্পন্ন করেন।

বিকেল পাঁচটায় দীঘিনালা উপজেলা শিব মন্দিরের প্রতিমা ওই মন্দিরের পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়। অন্য সব পূজামণ্ডপের প্রতিমা দীঘিনালা মাইনে নদীতে বিসর্জন করা হয়।

মোট ৯টি পূজামণ্ডপে এবারের দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে। এ সময় দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে সেনা টহলও অব্যাহত ছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দীঘিনালায় শান্তিপূর্ণভাবে বিজয়াদশমী সম্পন্ন

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বিজয়াদশমী বৃহস্পতিবার দীঘিনালায় পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুর খেলা, আরতি ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানো হয়।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে পূজার অঞ্জলি প্রদান শুরু হয়। পুরোহিতের সঙ্গে মন্ত্রপাঠ করে ভক্তরা হাতে থাকা ফুল দেবীকে অর্পণ করেন। উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনির মধ্য দিয়ে তিন দফায় অঞ্জলি দেওয়া হয়। বেলা ১১টার দিকে সিঁদুর খেলার আয়োজন করা হয়। দেবীর পায়ে সিঁদুর মেখে ভক্তরা একে একে পূজা সম্পন্ন করেন।

বিকেল পাঁচটায় দীঘিনালা উপজেলা শিব মন্দিরের প্রতিমা ওই মন্দিরের পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়। অন্য সব পূজামণ্ডপের প্রতিমা দীঘিনালা মাইনে নদীতে বিসর্জন করা হয়।

মোট ৯টি পূজামণ্ডপে এবারের দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে। এ সময় দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে সেনা টহলও অব্যাহত ছিল।