দয়াগঞ্জে ট্রাফিক সহায়তাকারীর হামলায় জবি শিক্ষার্থী আহত
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
- / 63
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাগুরাগামী একটি বাসের শিক্ষার্থীরা দয়াগঞ্জ মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ সহায়তাকারীর হামলার শিকার হয়েছেন। হামলার পর তিন শিক্ষার্থীকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের সামনেই মারধর করা হয়।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাগবিতণ্ডার পর ট্রাফিক সহায়তাকারীরা হামলা চালায়। এতে মোট ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন, এর মধ্যে ২ জন গুরুতর। আহতদের মধ্যে তালহা জুবায়ের প্রিয়ম, আলামিন হোসেন, সোহাইল, মোহন, মোসাব্বির ও চৈতি রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রথমে ট্রাফিক সহায়তাকারীরা শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা করা হয়। খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দয়াগঞ্জ মোড়ে জড়ো হয়ে হামলাকারীদের বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। পরে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে একজন অভিযুক্ত বের করা হলে শিক্ষার্থীরা তাকে মারধর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েকজন সহকারী প্রক্টর আহত হন। সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বাকি তিন অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
হামলার শিকার সিএসই বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তালহা জুবায়ের বলেন, “আমাদের বাস দয়াগঞ্জ মোড়ে ট্রাফিকে ছিল। বাস ছেড়ে দেওয়ার পর বড় ভাইদের ওপর হঠাৎ আক্রমণ হয়। আমরা নেমে তাদের বাঁচাতে গেলে আমাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। পুলিশ তখন নীরব দর্শক ছিল।”
অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল আমিন হোসেন বলেন, “কালো হুডি পরা এক ব্যক্তি পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে আমাদের মারধর করেছে। আমি, সোহান ভাই, সোহাইল, আলামিন, মিনু আপুসহ অনেকে হামলার শিকার হয়েছি। পুলিশ তখন নিরব দর্শক ছিল।”
জবি প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “কর্তৃপক্ষ ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরিয়াল বডিকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ওয়ারী জোনের ডিসি (উপ-পুলিশ কমিশনার) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, “ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ছুটে এসেছি। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”































