ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

তুরস্কের সহায়তায় শহিদুল আলমের মুক্তির চেষ্টা চলছে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 101

শহিদুল আলম

ইসরায়েলি কারাগারে আটক বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও সাংবাদিক শহিদুল আলমকে মুক্ত করার উদ্যোগ চলছে তুরস্কের সহায়তায়। শুক্রবার সকালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়, তুরস্কের কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যে আজই বিশেষ বিমানে শহিদুল আলমকে আঙ্কারায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। আঙ্কারায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমানুল হক বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য জানান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, শহিদুল আলমকে ইসরায়েলি বাহিনী অবৈধভাবে আটক করার পর বাংলাদেশ সরকার দ্রুত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয়। জর্ডান, মিসর ও তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে সংশ্লিষ্ট দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে মুক্ত করার উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। দূতাবাসগুলো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তুরস্ক, জর্ডান ও মিসরের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে যাতে শহিদুল আলমকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।

শহিদুল আলম দৃক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার, গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একজন আলোকচিত্রী। তিনি ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি নৃশংসতা বন্ধ এবং গাজার ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ ভাঙার লক্ষ্যে “ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন”-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাত্রা করেছিলেন।

এই নৌবহরে অংশ নেয় মোট নয়টি জাহাজ, যার মধ্যে “থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা” নামের আটটি জাহাজে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও মানবাধিকারকর্মীরা ছিলেন। গত বুধবার ইসরায়েলি বাহিনী এই বহরে আক্রমণ চালিয়ে সকল যাত্রী ও নাবিককে আটক করে নিয়ে যায়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যেই ছিলেন বাংলাদেশের শহিদুল আলম।

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করতে বহুমুখী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

তুরস্কের সহায়তায় শহিদুল আলমের মুক্তির চেষ্টা চলছে

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

ইসরায়েলি কারাগারে আটক বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও সাংবাদিক শহিদুল আলমকে মুক্ত করার উদ্যোগ চলছে তুরস্কের সহায়তায়। শুক্রবার সকালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়, তুরস্কের কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যে আজই বিশেষ বিমানে শহিদুল আলমকে আঙ্কারায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। আঙ্কারায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমানুল হক বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য জানান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, শহিদুল আলমকে ইসরায়েলি বাহিনী অবৈধভাবে আটক করার পর বাংলাদেশ সরকার দ্রুত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয়। জর্ডান, মিসর ও তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে সংশ্লিষ্ট দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে মুক্ত করার উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। দূতাবাসগুলো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তুরস্ক, জর্ডান ও মিসরের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে যাতে শহিদুল আলমকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।

শহিদুল আলম দৃক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার, গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একজন আলোকচিত্রী। তিনি ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি নৃশংসতা বন্ধ এবং গাজার ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ ভাঙার লক্ষ্যে “ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন”-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাত্রা করেছিলেন।

এই নৌবহরে অংশ নেয় মোট নয়টি জাহাজ, যার মধ্যে “থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা” নামের আটটি জাহাজে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও মানবাধিকারকর্মীরা ছিলেন। গত বুধবার ইসরায়েলি বাহিনী এই বহরে আক্রমণ চালিয়ে সকল যাত্রী ও নাবিককে আটক করে নিয়ে যায়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যেই ছিলেন বাংলাদেশের শহিদুল আলম।

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করতে বহুমুখী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।