ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা

তারেক-বাবরের খালাস আপিল বৃহস্পতিবার

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 250

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সকল আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে আপিল বিভাগ। আগামী বৃহস্পতিবার এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে বিএনপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, কায়সার কামাল, রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজলসহ আরও অনেকে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গত ১ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দেয়।

তারেক-বাবরের খালাস আপিল বৃহস্পতিবার
তারেক-বাবরের খালাস আপিল বৃহস্পতিবার

উল্লেখ্য, ২১ আগস্ট ২০০৪ সালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত এবং প্রায় ৩০০ জন আহত হন। শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। ঘটনার পর মতিঝিল থানায় দুটি মামলা করা হয়।

২০০৮ সালে প্রথম অভিযোগপত্রে ২২ জন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সম্পূরক অভিযোগপত্রে আরও ৩০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। বিচারিক আদালতের রায়ে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ রায় প্রদান করে। এরপর মামলাটি হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স হিসেবে আসে। শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ সকল আসামিকে খালাস দেন।

রায়ে বলা হয়, “দ্বিতীয় চার্জশিট (সম্পূরক অভিযোগপত্র) ম্যাজিস্ট্রেট নয়, বিচারিক আদালত গ্রহণ করেছেন — যা আইনবহির্ভূত। সেই ভিত্তিতে অভিযোগ গঠন থেকে শুরু করে পুরো বিচার কার্যক্রম অবৈধ।”

খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, তারেক রহমান, এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তাসহ অনেকে।

এছাড়া ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছিল, তারাও হাইকোর্ট থেকে খালাস পেয়েছেন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ভারতের আশ্রয়ে আছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা

তারেক-বাবরের খালাস আপিল বৃহস্পতিবার

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সকল আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে আপিল বিভাগ। আগামী বৃহস্পতিবার এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে বিএনপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, কায়সার কামাল, রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজলসহ আরও অনেকে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গত ১ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দেয়।

তারেক-বাবরের খালাস আপিল বৃহস্পতিবার
তারেক-বাবরের খালাস আপিল বৃহস্পতিবার

উল্লেখ্য, ২১ আগস্ট ২০০৪ সালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত এবং প্রায় ৩০০ জন আহত হন। শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। ঘটনার পর মতিঝিল থানায় দুটি মামলা করা হয়।

২০০৮ সালে প্রথম অভিযোগপত্রে ২২ জন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সম্পূরক অভিযোগপত্রে আরও ৩০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। বিচারিক আদালতের রায়ে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ রায় প্রদান করে। এরপর মামলাটি হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স হিসেবে আসে। শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ সকল আসামিকে খালাস দেন।

রায়ে বলা হয়, “দ্বিতীয় চার্জশিট (সম্পূরক অভিযোগপত্র) ম্যাজিস্ট্রেট নয়, বিচারিক আদালত গ্রহণ করেছেন — যা আইনবহির্ভূত। সেই ভিত্তিতে অভিযোগ গঠন থেকে শুরু করে পুরো বিচার কার্যক্রম অবৈধ।”

খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, তারেক রহমান, এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তাসহ অনেকে।

এছাড়া ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছিল, তারাও হাইকোর্ট থেকে খালাস পেয়েছেন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ভারতের আশ্রয়ে আছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।