ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তাবেলা সিজার হত্যা: তিনজনের যাবজ্জীবন, চারজন খালাস

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 179

তাবেলা সিজার হত্যা: তিনজনের যাবজ্জীবন, চারজন খালাস

২০১৫ সালে রাজধানীর গুলশানে ইতালির নাগরিক তাবেলা সিজারকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপরদিকে চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই ২০২৫) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—তামজিদ আহমেদ ওরফে রুবেল, রাসেল চৌধুরী এবং মিনহাজুল আরেফিন ওরফে ভাগনে রাসেল।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন—বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম, তার ভাই আবদুল মতিন, শাখাওয়াত হোসেন ও সোহেল।

আসামিদের মধ্যে তামজিদ, রাসেল, মিনহাজুল, মতিন ও শাখাওয়াত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। তবে কাইয়ুম ও সোহেল বিচার চলাকালে পলাতক ছিলেন। অন্যরা কারাগারে অথবা জামিনে ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশানের ৯০ নম্বর সড়কে গুলি করে হত্যা করা হয় তাবেলা সিজারকে। তিনি নেদারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসিসিও-বিডিতে কর্মরত ছিলেন। গুরুতর অবস্থায় ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঘটনার পর একটি আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটে দাবি করা হয় যে, ইসলামিক স্টেট (আইএস) এ হত্যার দায় স্বীকার করেছে। পরে আইসিসিও কো-অপারেশনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৬ সালের ২৮ জুন মামলার তদন্ত শেষে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অভিযোগে বলা হয়, একজন বিদেশিকে হত্যার মাধ্যমে দেশ-বিদেশে আতঙ্ক ছড়ানো ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করাই ছিল হামলার উদ্দেশ্য।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তাবেলা সিজার হত্যা: তিনজনের যাবজ্জীবন, চারজন খালাস

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

২০১৫ সালে রাজধানীর গুলশানে ইতালির নাগরিক তাবেলা সিজারকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপরদিকে চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই ২০২৫) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—তামজিদ আহমেদ ওরফে রুবেল, রাসেল চৌধুরী এবং মিনহাজুল আরেফিন ওরফে ভাগনে রাসেল।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন—বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম, তার ভাই আবদুল মতিন, শাখাওয়াত হোসেন ও সোহেল।

আসামিদের মধ্যে তামজিদ, রাসেল, মিনহাজুল, মতিন ও শাখাওয়াত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। তবে কাইয়ুম ও সোহেল বিচার চলাকালে পলাতক ছিলেন। অন্যরা কারাগারে অথবা জামিনে ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশানের ৯০ নম্বর সড়কে গুলি করে হত্যা করা হয় তাবেলা সিজারকে। তিনি নেদারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসিসিও-বিডিতে কর্মরত ছিলেন। গুরুতর অবস্থায় ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঘটনার পর একটি আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটে দাবি করা হয় যে, ইসলামিক স্টেট (আইএস) এ হত্যার দায় স্বীকার করেছে। পরে আইসিসিও কো-অপারেশনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৬ সালের ২৮ জুন মামলার তদন্ত শেষে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অভিযোগে বলা হয়, একজন বিদেশিকে হত্যার মাধ্যমে দেশ-বিদেশে আতঙ্ক ছড়ানো ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করাই ছিল হামলার উদ্দেশ্য।