ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তফসিল ১১ ডিসেম্বর, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ৮ অথবা ১২

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 83

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ১১ ডিসেম্বর ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে।

আর নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির ৮ অথবা বা ১২ তারিখকে বেছে নিতে চায় ইসি।

নির্বাচন কমিশনারদের মতে, ৮ ফেব্রুয়ারি রোববার এবং ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার; এই দিনগুলো ভোটের জন্য উপযুক্ত হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে।

এর আগে ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার দিনও ঠিক করা হয়েছে।

তফসিল চূড়ান্ত করার আগে ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা করার কথা রয়েছে। এরপর ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঐতিহ্যগত সাক্ষাৎ শেষে পরের দিন তফসিল ঘোষণা করার চূড়ন্ত প্রস্তুতি চলছে।

এইবার সংসদ নির্বাচন ও গণভোট এক দিনেই করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভোটদানে দুইটি পৃথক ব্যালট ব্যবহার হবে — একটির মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী-প্রতীক, আর অন্যটির মাধ্যমে হবে গণভোটের প্রশ্ন-উত্তর।

ইসি চিন্তা করছে, ভোটকেন্দ্রগুলোতে গোপন ভোটকক্ষে সংখ্যা বাড়ানো এবং ভোটকক্ষের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর। এতে ভোটগ্রহণ সম্ভবত সকাল ৭:৩০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত চালানো যেতে পারে।

তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মনোনয়নপত্র দাখিল, প্রার্থীদের প্রতীক বন্টন, প্রচার শুরু, এবং ভোটারদের জন্য পোস্টাল-ভোটসহ ভ্যালিডেশন সিস্টেম কার্যকর হবে। ইসি ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনী ও প্রস্তুতি শুরু করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তফসিল ১১ ডিসেম্বর, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ৮ অথবা ১২

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ১১ ডিসেম্বর ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে।

আর নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির ৮ অথবা বা ১২ তারিখকে বেছে নিতে চায় ইসি।

নির্বাচন কমিশনারদের মতে, ৮ ফেব্রুয়ারি রোববার এবং ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার; এই দিনগুলো ভোটের জন্য উপযুক্ত হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে।

এর আগে ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার দিনও ঠিক করা হয়েছে।

তফসিল চূড়ান্ত করার আগে ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা করার কথা রয়েছে। এরপর ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঐতিহ্যগত সাক্ষাৎ শেষে পরের দিন তফসিল ঘোষণা করার চূড়ন্ত প্রস্তুতি চলছে।

এইবার সংসদ নির্বাচন ও গণভোট এক দিনেই করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভোটদানে দুইটি পৃথক ব্যালট ব্যবহার হবে — একটির মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী-প্রতীক, আর অন্যটির মাধ্যমে হবে গণভোটের প্রশ্ন-উত্তর।

ইসি চিন্তা করছে, ভোটকেন্দ্রগুলোতে গোপন ভোটকক্ষে সংখ্যা বাড়ানো এবং ভোটকক্ষের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর। এতে ভোটগ্রহণ সম্ভবত সকাল ৭:৩০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত চালানো যেতে পারে।

তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মনোনয়নপত্র দাখিল, প্রার্থীদের প্রতীক বন্টন, প্রচার শুরু, এবং ভোটারদের জন্য পোস্টাল-ভোটসহ ভ্যালিডেশন সিস্টেম কার্যকর হবে। ইসি ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনী ও প্রস্তুতি শুরু করেছে।