ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে ৬ষ্ঠ দিনের শুনানি চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৫:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 71

সুপ্রিম কোর্ট

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য করা আপিলের টানা ষষ্ঠ দিনের শুনানি রোববার (২ নভেম্বর) শুরু হয়েছে। সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আদালতে বিএনপির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন শুনানি করছেন। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত আছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আগের দিনগুলোতে এ আপিলের ধারাবাহিক শুনানি চলেছে। গত ২৯ অক্টোবর ছিল টানা পঞ্চম দিনের শুনানি। ২৮ অক্টোবর চতুর্থ দিনের শুনানি শেষ হয়, যেখানে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির শুনানি শেষ করেন। তৃতীয় দিনের শুনানি হয়েছিল ২৩ অক্টোবর, যেখানে ইন্টারভেনর হিসেবে ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী আদালতে বক্তব্য দেন। দ্বিতীয় দিনের শুনানি হয়েছিল ২২ অক্টোবর, রিটকারী বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া শুনানি শেষ করেন।

এই আপিলের অনুমতি ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনের শুনানি শেষে দেওয়া হয়। এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। ১৯৯৮ সালে এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করেন।

এরপর সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে। এরপর পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ২০১১ সালের ৫ আগস্ট এই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেন। ১৬ অক্টোবর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একই ধরনের আবেদন করেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং নওগাঁর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে ৬ষ্ঠ দিনের শুনানি চলছে

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৫:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য করা আপিলের টানা ষষ্ঠ দিনের শুনানি রোববার (২ নভেম্বর) শুরু হয়েছে। সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আদালতে বিএনপির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন শুনানি করছেন। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত আছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আগের দিনগুলোতে এ আপিলের ধারাবাহিক শুনানি চলেছে। গত ২৯ অক্টোবর ছিল টানা পঞ্চম দিনের শুনানি। ২৮ অক্টোবর চতুর্থ দিনের শুনানি শেষ হয়, যেখানে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির শুনানি শেষ করেন। তৃতীয় দিনের শুনানি হয়েছিল ২৩ অক্টোবর, যেখানে ইন্টারভেনর হিসেবে ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী আদালতে বক্তব্য দেন। দ্বিতীয় দিনের শুনানি হয়েছিল ২২ অক্টোবর, রিটকারী বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া শুনানি শেষ করেন।

এই আপিলের অনুমতি ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনের শুনানি শেষে দেওয়া হয়। এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। ১৯৯৮ সালে এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করেন।

এরপর সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে। এরপর পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ২০১১ সালের ৫ আগস্ট এই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেন। ১৬ অক্টোবর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একই ধরনের আবেদন করেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং নওগাঁর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেছেন।