ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানোর আপিলের শুনানি পঞ্চম দিনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 86

সুপ্রিম কোর্ট

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের দাবিতে দায়ের করা আবেদনের ওপর আপিল বিভাগে পঞ্চম দিনের মতো শুনানি চলছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) চতুর্থ দিনের শুনানির পরে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। সেদিন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির।

এরও আগে বুধবার (২২ অক্টোবর) তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন ও তা ১৪তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কার্যকর করার দাবিতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি শেষ করেন বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবী। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন—রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরালে সংসদের ক্ষমতা ক্ষুণ্ন হবে কি না। একই সঙ্গে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার চালু হলে তা অন্তর্বর্তী সরকারের সংজ্ঞায় পড়বে কি না—এ বিষয়ে রায়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির পর ২৭ আগস্ট আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল দায়ের করেন।

শুনানি ২১ অক্টোবর থেকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চে শুরু হয়। এদিন সকালে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। পরে বিএনপি, জামায়াত এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংযোজন করা হয়। ১৯৯৮ সালে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট ওই রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা দেয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানোর আপিলের শুনানি পঞ্চম দিনে

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের দাবিতে দায়ের করা আবেদনের ওপর আপিল বিভাগে পঞ্চম দিনের মতো শুনানি চলছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) চতুর্থ দিনের শুনানির পরে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। সেদিন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির।

এরও আগে বুধবার (২২ অক্টোবর) তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন ও তা ১৪তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কার্যকর করার দাবিতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি শেষ করেন বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবী। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন—রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরালে সংসদের ক্ষমতা ক্ষুণ্ন হবে কি না। একই সঙ্গে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার চালু হলে তা অন্তর্বর্তী সরকারের সংজ্ঞায় পড়বে কি না—এ বিষয়ে রায়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির পর ২৭ আগস্ট আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল দায়ের করেন।

শুনানি ২১ অক্টোবর থেকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চে শুরু হয়। এদিন সকালে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। পরে বিএনপি, জামায়াত এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংযোজন করা হয়। ১৯৯৮ সালে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট ওই রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা দেয়।