ঢাবিতে গুপ্ত রাজনীতির অবসান দাবি ছাত্রদলের
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 93
ছাত্রদলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে ছাত্রলীগ পদ-পদবিকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো গোপনে নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা ঘটছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচন ঘিরে আদালতে রিট করা এক শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের হুমকির প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকে মানববন্ধন করে ছাত্রদল। সেখানে সংগঠনটির নারী নেত্রীসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা বক্তব্য দেন।
তাদের অভিযোগ, ইসলামী ছাত্রশিবির গোপনে রাজনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর প্রভাবশালী ভূমিকা রাখছেন। মানববন্ধনে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম বলেন, “শিবির দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর ধরে গোপনে রাজনীতি করছে। ছাত্ররাজনীতি করতে চাইলে সাহসী হতে হবে, গোপন রাজনীতি করে কোনো সুফল আসবে না।”
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, “ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের এক নেতার প্রার্থিতা নিয়ে রিট করায় আমাদের এক সহপাঠীকে গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। শুধু তাই নয়, সারা দেশে নারী শিক্ষার্থী ও কর্মীদের নিয়মিতভাবে সাইবার বুলিং ও শারীরিকভাবে আঘাতের শিকার হতে হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “গোপন রাজনীতির কারণে শিবির তাদের কার্যক্রম আড়াল করে রাখে। কেউ ধরা পড়লে পরে তারা অস্বীকার করে। এই ভণ্ডামি চলতে দেওয়া যাবে না।”
মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্য ছাড়াও অংশ নেন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রেহানা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাকসুদা রিমা, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক রিমি ইসলাম, সহ-ছাত্রী সম্পাদক সুলতানা আক্তার মীম, সহ-সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নওরীন ঊর্মী, কবি সুফিয়া কামাল হল ভিপি প্রার্থী তাওহিদা সুলতানা, রোকেয়া হলের নেত্রী শ্রাবন্তী হোসেন বন্যা, হল সংসদ প্রার্থী শরীফা ইসলাম সূচনা ও জান্নাতুল ফেরদৌসী জয়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপন্তী রত্না, কবি নজরুল কলেজের মেহেরুন এবং বদরুন্নেসা কলেজের মাশফিয়া আক্তার প্রমুখ।
ছাত্রদল নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন কোনো গোপন রাজনীতি চলতে না পারে, সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে।
































