ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা উত্তর সিটিতে অফিস সহায়করা এখন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 110

ঢাকা উত্তর সিটি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) তৃতীয় শ্রেণির উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক এবং কেয়ারটেকার এখন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া অষ্টম শ্রেণি পাস অফিস সহায়ককেও হিসাব সহকারীর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব আদেশ দেওয়া হয়েছে সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ মামুন উল হাসানের স্বাক্ষরে।

অভিযোগ উঠেছে, মোহাম্মদ মামুন উল হাসান দায়িত্বে আসার পর নিয়মবহির্ভূতভাবে এই ধরনের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হচ্ছে। প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বিদেশে থাকায় আদেশ বাতিলের অনুমোদন নেওয়ার পদ্ধতিতেও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিএনসিসির ৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১০ সেপ্টেম্বর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে তৃতীয় শ্রেণির উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক তানিয়া আহসান ও কেয়ারটেকার অরুণ চন্দ্র দাসকে নবম গ্রেডের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে মানা হয়নি চাকরি বিধিমালা। একদিনের মধ্যে ফাইল অনুমোদন এবং দায়িত্ব দেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার তারা নতুন কর্মস্থলে হাজির হননি।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর একটি অফিস আদেশে ২০তম গ্রেডের অষ্টম শ্রেণির অফিস সহায়ক জাকির হোসেনকে রাজস্ব বিভাগের হিসাব সহকারীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি এই দায়িত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। কিছুক্ষণ পরই তার আদেশ বাতিল করা হয়।

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মোহম্মদ খান বলেন, “এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের সরকারি অফিসের শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে। এটি ভবিষ্যতে পুরো সিস্টেমের জন্য মারাত্মক নজির হয়ে যেতে পারে। যারা দায়িত্ব দিচ্ছেন, তারা দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে অভ্যস্ত, তাদের উচিত নিয়ম-কানুন মেনে চলা।”

বিদেশে থাকা প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঢাকা উত্তর সিটিতে অফিস সহায়করা এখন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) তৃতীয় শ্রেণির উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক এবং কেয়ারটেকার এখন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া অষ্টম শ্রেণি পাস অফিস সহায়ককেও হিসাব সহকারীর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব আদেশ দেওয়া হয়েছে সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ মামুন উল হাসানের স্বাক্ষরে।

অভিযোগ উঠেছে, মোহাম্মদ মামুন উল হাসান দায়িত্বে আসার পর নিয়মবহির্ভূতভাবে এই ধরনের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হচ্ছে। প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বিদেশে থাকায় আদেশ বাতিলের অনুমোদন নেওয়ার পদ্ধতিতেও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিএনসিসির ৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১০ সেপ্টেম্বর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে তৃতীয় শ্রেণির উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক তানিয়া আহসান ও কেয়ারটেকার অরুণ চন্দ্র দাসকে নবম গ্রেডের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে মানা হয়নি চাকরি বিধিমালা। একদিনের মধ্যে ফাইল অনুমোদন এবং দায়িত্ব দেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার তারা নতুন কর্মস্থলে হাজির হননি।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর একটি অফিস আদেশে ২০তম গ্রেডের অষ্টম শ্রেণির অফিস সহায়ক জাকির হোসেনকে রাজস্ব বিভাগের হিসাব সহকারীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি এই দায়িত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। কিছুক্ষণ পরই তার আদেশ বাতিল করা হয়।

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মোহম্মদ খান বলেন, “এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের সরকারি অফিসের শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে। এটি ভবিষ্যতে পুরো সিস্টেমের জন্য মারাত্মক নজির হয়ে যেতে পারে। যারা দায়িত্ব দিচ্ছেন, তারা দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে অভ্যস্ত, তাদের উচিত নিয়ম-কানুন মেনে চলা।”

বিদেশে থাকা প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি