ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নারী চিকিৎসকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / 118

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নারী চিকিৎসকের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লার স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী মৃত্যুবরণ করেছেন। রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তার বড় ভাই মনজুরুল আজীম পলাশ সংবাদমাধ্যমকে জানান, কয়েক দিন আগে কাকলী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। পরে জটিলতা বাড়তে থাকে এবং কিডনি ও লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার দ্রুত তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হঠাৎ রক্তচাপ নেমে গেলে আইসিইউ থেকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়। সারারাত চেষ্টা চললেও শেষ পর্যন্ত তিনি জীবনযুদ্ধে হার মানেন।

ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি নগর মাতৃসদনে কনসালট্যান্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। মানবিক চিকিৎসা সেবার জন্য তিনি স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন; অসচ্ছল অনেক রোগীর অপারেশন তিনি বিনা পারিশ্রমিকে করে দিতেন।

চিকিৎসার বাইরে সংস্কৃতি চর্চাতেও তিনি ছিলেন সক্রিয়। ‘অধুনা থিয়েটার’-এর সদস্য হিসেবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। গান, প্রকৃতি ও ভ্রমণ ছিল তার নেশা।

তার মৃত্যুতে কুমিল্লার চিকিৎসক সমাজ, রোগী ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তার মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা একমাত্র মেয়ে তুর্ণা দেশে ফেরার পর জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নারী চিকিৎসকের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লার স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী মৃত্যুবরণ করেছেন। রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তার বড় ভাই মনজুরুল আজীম পলাশ সংবাদমাধ্যমকে জানান, কয়েক দিন আগে কাকলী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। পরে জটিলতা বাড়তে থাকে এবং কিডনি ও লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার দ্রুত তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হঠাৎ রক্তচাপ নেমে গেলে আইসিইউ থেকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়। সারারাত চেষ্টা চললেও শেষ পর্যন্ত তিনি জীবনযুদ্ধে হার মানেন।

ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি নগর মাতৃসদনে কনসালট্যান্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। মানবিক চিকিৎসা সেবার জন্য তিনি স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন; অসচ্ছল অনেক রোগীর অপারেশন তিনি বিনা পারিশ্রমিকে করে দিতেন।

চিকিৎসার বাইরে সংস্কৃতি চর্চাতেও তিনি ছিলেন সক্রিয়। ‘অধুনা থিয়েটার’-এর সদস্য হিসেবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। গান, প্রকৃতি ও ভ্রমণ ছিল তার নেশা।

তার মৃত্যুতে কুমিল্লার চিকিৎসক সমাজ, রোগী ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তার মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা একমাত্র মেয়ে তুর্ণা দেশে ফেরার পর জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।