ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিপিডিসি’র “আয়াতুল্লাহ খামেনী”; ধরাছোঁয়ার উর্ধ্বে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • / 825

ডিপিডিসির আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী

নাম তার আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী, পেশায় একজন প্রকৌশলী। বর্তমানে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) উপবিভাগীয় এই প্রকৌশলীর (এসডি) কর্মস্থল সংস্থাটির আদাবর এনওসিএস‘য়ে। পদমর্যাদায় তিনি এসডি হলেও জেষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন করে বিগত কয়েক বছর ধরে দায়িত্বে রয়েছেন (নেটওয়ার্ক অপারেশন ও কাস্টমার সার্ভিস) এনওসিএস’টির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর হিসেবে।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের দোর্দন্ড প্রতাপশালী নেতা ও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফের ভাগ্নে পরিচয় দেয়া এই প্রকৌশলী জুলাই আন্দোলনের পূর্বে ও আন্দোলন চলাকালীন নিজের দপ্তরকে বানিয়েছিলেন রাজনৈতিক কার্যালয়। আর সেখানে নিয়মিত আড্ডা দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলার পরিকল্পনা করতেন তারই বন্ধু পরিচয় দেয়া বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

দলীয় পরিচয় ও প্রতাপশালী আওয়ামী লীগ নেতার আত্মীয় ও বন্ধু পরিচয় দেয় ইমরান বিগত সরকারের আমলে করেননি এমন কোনো অপকর্ম নেই। সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের আইন ও নীতিমালা বর্হিভূত কাজই ছিল ইমরানের নিয়মিত কর্মকাণ্ড। আর তার এমন কর্মকাণ্ড বাঁধা দিতেও ভয় পেতেন তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। তবে সরকার পতন হলেও থেমে নেই ইমরানের এসব কুকীর্তি।

সম্প্রতি আদাবর এনওসিএস’য়ে চলছে এক প্রকার ইমরানের রাজত্ব। বীরদর্পে দেশের অতিগুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল আইন অমান্য করা, নিজের ইচ্ছা ও খেয়াল-খুশিমত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ, যত্রতত্র অবৈধ সংযোগ ও মিটার প্রদানসহ নানা কুকীর্তি ডিপিডিসি ও মন্ত্রণালয়ের কাছে উন্মোচিত হলেও আয়াতুল্লাহ ইমরান আলীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আওয়ামী লীগ সরকারের আত্মস্বীকৃত দোসর হয়েও বর্তমান সময়ে আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী এমন কর্মকাণ্ডে তাকে সবাই ডাকে ডিপিডিসির ‘আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’ নামেই।

সম্প্রতি আদাবর এনওসিএস’র নবীনগর হাউজিং এলাকায় এক অবৈধ মিটার কাণ্ডে ধারাবাহিকভাবে ইমরানের সম্পৃক্ততার প্রমাণসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও, ইমরান রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। ওই ঘটনার শুরুতে ইমরানের বিরুদ্ধে তার (তারিক-ইমরান) সিন্ডিকেটের মিটার রিডার ও লাইনম্যানদের বাঁচাতে সরকারের ‘বিদ্যুৎ আইন-২০১৮’ এর যথাযথ প্রতিপালন না করা এবং অবশ্যই পালনীয় বেশ কয়েকটি ধারা ভঙ্গে অভিযোগ ওঠে।

শুরুতে অবৈধ মিটারকাণ্ডে দুই গ্রাহক ও অবৈধ মিটারের মাধ্যমে সংযোগ প্রদানে সম্পৃক্ত একাধিক মিটার রিডার, লাইনম্যান ও সংশ্লিষ্ট সিএসএস ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ‘বিদ্যুৎ আইন-২০১৮’ অধীন গুরুত্ব ফৌজদারী অপরাধের অভিযোগ থাকলেও এসব অভিযুক্তদের বাচাতে আদাজল খেয়ে নামেন আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী। এরই অংশ হিসেবে শ্যামলী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. তরিকুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে লোক দেখানো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করান ইমরান।

এরপর নানা ভাবে সময়ক্ষেপনের পর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সাপেক্ষে একজন মিটার রিডার ও একজন লাইনম্যানকে নামমাত্র বেতন কর্তনের মত শাস্তি দেয়ার ব্যবস্থা করেন আয়াতুল্লাহ ইমরান। আর এক্ষেত্রে মানা হয়নি ‘বিদ্যুৎ আইন-২০১৮’ এর আমলযোগ্য বিভিন্ন ধারা ও উপধারা। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এমন আইন প্রতিপালন না করে এবং সরাসরি আইনটির বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করে ইমরান ও তরিকুল দুজনেই অপরাধী (আইন অনুযায়ী) হিসেবে অভিযুক্ত হন।

এ বিষয়ে গত ৪ জুন বাংলা অ্যাফেয়ার্স ডটকমে ‘বিচারকের মাথায় অপরাধের বোঝা:আদাবরে মিটার কেলেঙ্কারি, সত্য গোপনে আইন ভঙ্গ’ শিরোনামে বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে আইনের বিভিন্ন ধারা কিভাবে ইমরান ও তরিকুল লঙ্ঘন করেছেন তার বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরদিন থেকে ঈদুল আযহার ছুটি শুরু হওয়ায় অনেকটা বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলে হাফ ছেড়ে বাচেন ইমরান ও তারিক। তবে ঈদুল আযহার ছুটি শেষের পর ডিপিডিসির এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইন ভঙ্গের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নেয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ।

ডিপিডিসির প্রধান কার্যালয়ের একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, ইমরান ও তারিকের এমন আইন ভঙ্গের বিষয়টি সংস্থার পিয়ন থেকে পরিচালক পর্যন্ত সবার জানা। কিন্তু অদৃশ্য ক্ষমতা ও কয়েক লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টির আড়ালে রেখেছেন নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) শফিকুল ইসলাম ও নির্বাহী পরিচালক (মানবসম্পদ) সোনামণি চাকমা। একই সঙ্গে ইমরানকে আদাবর এনওসিএস থেকে তার পদমর্যাদা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হওয়া সত্ত্বেও ভারপ্রাপ্ত পদমর্যাদা নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবেই অন্য দপ্তরে বদলীর করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আর এ কাজেও তাকে সহযোগীতা করছেন শফিকুল ইসলাম ও সোনামণি চাকমা।

এসব অভিযোগের ব্যাপারে নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) শফিকুল ইসলাম ও নির্বাহী পরিচালক (মানবসম্পদ) সোনামণি চাকমাকে বার বার কল করলেও তারা রিসিভ করেননি।

আগামী পর্বে আসছে- নির্মাণ মিটারে ইমরানে সর্বোচ্চ লোড বরাদ্দ: সাবস্টেশন ছাড়ায় ২৫০কেভির উপরে চলছে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডিপিডিসি’র “আয়াতুল্লাহ খামেনী”; ধরাছোঁয়ার উর্ধ্বে?

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

নাম তার আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী, পেশায় একজন প্রকৌশলী। বর্তমানে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) উপবিভাগীয় এই প্রকৌশলীর (এসডি) কর্মস্থল সংস্থাটির আদাবর এনওসিএস‘য়ে। পদমর্যাদায় তিনি এসডি হলেও জেষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন করে বিগত কয়েক বছর ধরে দায়িত্বে রয়েছেন (নেটওয়ার্ক অপারেশন ও কাস্টমার সার্ভিস) এনওসিএস’টির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর হিসেবে।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের দোর্দন্ড প্রতাপশালী নেতা ও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফের ভাগ্নে পরিচয় দেয়া এই প্রকৌশলী জুলাই আন্দোলনের পূর্বে ও আন্দোলন চলাকালীন নিজের দপ্তরকে বানিয়েছিলেন রাজনৈতিক কার্যালয়। আর সেখানে নিয়মিত আড্ডা দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলার পরিকল্পনা করতেন তারই বন্ধু পরিচয় দেয়া বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

দলীয় পরিচয় ও প্রতাপশালী আওয়ামী লীগ নেতার আত্মীয় ও বন্ধু পরিচয় দেয় ইমরান বিগত সরকারের আমলে করেননি এমন কোনো অপকর্ম নেই। সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের আইন ও নীতিমালা বর্হিভূত কাজই ছিল ইমরানের নিয়মিত কর্মকাণ্ড। আর তার এমন কর্মকাণ্ড বাঁধা দিতেও ভয় পেতেন তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। তবে সরকার পতন হলেও থেমে নেই ইমরানের এসব কুকীর্তি।

সম্প্রতি আদাবর এনওসিএস’য়ে চলছে এক প্রকার ইমরানের রাজত্ব। বীরদর্পে দেশের অতিগুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল আইন অমান্য করা, নিজের ইচ্ছা ও খেয়াল-খুশিমত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ, যত্রতত্র অবৈধ সংযোগ ও মিটার প্রদানসহ নানা কুকীর্তি ডিপিডিসি ও মন্ত্রণালয়ের কাছে উন্মোচিত হলেও আয়াতুল্লাহ ইমরান আলীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আওয়ামী লীগ সরকারের আত্মস্বীকৃত দোসর হয়েও বর্তমান সময়ে আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী এমন কর্মকাণ্ডে তাকে সবাই ডাকে ডিপিডিসির ‘আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’ নামেই।

সম্প্রতি আদাবর এনওসিএস’র নবীনগর হাউজিং এলাকায় এক অবৈধ মিটার কাণ্ডে ধারাবাহিকভাবে ইমরানের সম্পৃক্ততার প্রমাণসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও, ইমরান রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। ওই ঘটনার শুরুতে ইমরানের বিরুদ্ধে তার (তারিক-ইমরান) সিন্ডিকেটের মিটার রিডার ও লাইনম্যানদের বাঁচাতে সরকারের ‘বিদ্যুৎ আইন-২০১৮’ এর যথাযথ প্রতিপালন না করা এবং অবশ্যই পালনীয় বেশ কয়েকটি ধারা ভঙ্গে অভিযোগ ওঠে।

শুরুতে অবৈধ মিটারকাণ্ডে দুই গ্রাহক ও অবৈধ মিটারের মাধ্যমে সংযোগ প্রদানে সম্পৃক্ত একাধিক মিটার রিডার, লাইনম্যান ও সংশ্লিষ্ট সিএসএস ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ‘বিদ্যুৎ আইন-২০১৮’ অধীন গুরুত্ব ফৌজদারী অপরাধের অভিযোগ থাকলেও এসব অভিযুক্তদের বাচাতে আদাজল খেয়ে নামেন আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী। এরই অংশ হিসেবে শ্যামলী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. তরিকুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে লোক দেখানো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করান ইমরান।

এরপর নানা ভাবে সময়ক্ষেপনের পর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সাপেক্ষে একজন মিটার রিডার ও একজন লাইনম্যানকে নামমাত্র বেতন কর্তনের মত শাস্তি দেয়ার ব্যবস্থা করেন আয়াতুল্লাহ ইমরান। আর এক্ষেত্রে মানা হয়নি ‘বিদ্যুৎ আইন-২০১৮’ এর আমলযোগ্য বিভিন্ন ধারা ও উপধারা। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এমন আইন প্রতিপালন না করে এবং সরাসরি আইনটির বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করে ইমরান ও তরিকুল দুজনেই অপরাধী (আইন অনুযায়ী) হিসেবে অভিযুক্ত হন।

এ বিষয়ে গত ৪ জুন বাংলা অ্যাফেয়ার্স ডটকমে ‘বিচারকের মাথায় অপরাধের বোঝা:আদাবরে মিটার কেলেঙ্কারি, সত্য গোপনে আইন ভঙ্গ’ শিরোনামে বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে আইনের বিভিন্ন ধারা কিভাবে ইমরান ও তরিকুল লঙ্ঘন করেছেন তার বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরদিন থেকে ঈদুল আযহার ছুটি শুরু হওয়ায় অনেকটা বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলে হাফ ছেড়ে বাচেন ইমরান ও তারিক। তবে ঈদুল আযহার ছুটি শেষের পর ডিপিডিসির এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইন ভঙ্গের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নেয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ।

ডিপিডিসির প্রধান কার্যালয়ের একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, ইমরান ও তারিকের এমন আইন ভঙ্গের বিষয়টি সংস্থার পিয়ন থেকে পরিচালক পর্যন্ত সবার জানা। কিন্তু অদৃশ্য ক্ষমতা ও কয়েক লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টির আড়ালে রেখেছেন নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) শফিকুল ইসলাম ও নির্বাহী পরিচালক (মানবসম্পদ) সোনামণি চাকমা। একই সঙ্গে ইমরানকে আদাবর এনওসিএস থেকে তার পদমর্যাদা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হওয়া সত্ত্বেও ভারপ্রাপ্ত পদমর্যাদা নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবেই অন্য দপ্তরে বদলীর করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আর এ কাজেও তাকে সহযোগীতা করছেন শফিকুল ইসলাম ও সোনামণি চাকমা।

এসব অভিযোগের ব্যাপারে নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) শফিকুল ইসলাম ও নির্বাহী পরিচালক (মানবসম্পদ) সোনামণি চাকমাকে বার বার কল করলেও তারা রিসিভ করেননি।

আগামী পর্বে আসছে- নির্মাণ মিটারে ইমরানে সর্বোচ্চ লোড বরাদ্দ: সাবস্টেশন ছাড়ায় ২৫০কেভির উপরে চলছে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান