ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাকসু নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাবি
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 154

ডাকসু নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের দিনে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গণনার সময়ও ভোটকেন্দ্রে থাকবেন সেনাসদস্যরা।

চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সাতটি প্রবেশপথে সেনাসদস্যরা অবস্থান করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে ফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কেন্দ্রগুলো কর্ডন করে রাখবে সেনারা, যাতে বাইরের কেউ প্রবেশ করতে না পারে বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভোটের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। এছাড়া নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকেই হলগুলোতে কোনো বহিরাগত থাকতে পারবে না।

আজ থেকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহারে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে এবং প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়সূচি মেনে প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানিয়েছে।

কমিশন সতর্ক করেছেন, নির্বাচনী প্রচারের সময় কোনো প্রার্থী যদি মুক্তিযুদ্ধ, পারিবারিক বা ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে কাউকে অপদস্থ করার চেষ্টা করেন, তবে প্রার্থিতা বাতিলসহ ছাত্রত্বও রদ করা হতে পারে।

ভোট গ্রহণ আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় শুরু হবে। প্রার্থীরা আজ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রচারণা করতে পারবে। তবে ছাত্রীদের জন্য হলগুলোতে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রচারণার অনুমতি থাকবে। প্রচারণার সময় কড়া আচরণবিধি মেনে চলতে হবে।

গত সোমবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে ২১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছাত্রদলের প্রার্থীও রয়েছেন। এ বিষয়ে জানা গেছে, ঘোষিত প্যানেলে ঠাঁই না হওয়ায় দলীয় সিদ্ধান্তে তারা সরে দাঁড়িয়েছেন।

বিভিন্ন অভিযোগে বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রের ওপর আপিল করেছিলেন ৩৪ জন প্রার্থী। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের সকল মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গত রোববার ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আপিল ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল কমিটি বৈঠক করেছে। বৈঠকে জুলিয়াস সিজার তালুকদার ও বায়েজিদ বোস্তামী নামের দুই শিক্ষার্থীকে ভোটার ও প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পরে সোমবার নিষিদ্ধ সংগঠনে জড়িত ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্ট থাকার প্রমাণ মেলায় তাদের প্রার্থিতা ও ভোটারতা বাতিল করা হয়।

জুলিয়াস সিজার প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এক চিঠিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে ন্যায়বিচারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

ছাত্র সংসদের নির্বাচন নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠক সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী, প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী, সিটি এসবির ডিআইজি মীর আশরাফ আলী, ডিএমপির রমনা জোনের উপকমিশনার মো. মাসুদ আলম এবং শাহবাগ থানার ওসি মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর।

বৈঠকে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়া, সুষ্ঠু ভোট গণনা ও ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

আচরণবিধি

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা কেবল সাদাকালো পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহার করতে পারবেন। প্রচারে প্রার্থীর নিজের সাদাকালো ছবি ছাড়া অন্য কোনো ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।

ক্যাম্পাস ও হল এলাকায় স্থাপনা, দেয়াল, যানবাহন, বেড়া, গাছপালা বা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার লাগানো যাবে না। দেয়াল বা যানবাহনে কালি, চুন বা রাসায়নিক ব্যবহার করে লিখন বা চিত্রাঙ্কন করা নিষিদ্ধ।

ফটক, তোরণ, ঘের নির্মাণ কিংবা ক্যাম্প ও আলোকসজ্জা করা যাবে না। তবে অস্থায়ী প্যান্ডেল, শামিয়ানা ও মঞ্চ স্থাপন করা যাবে। কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্রেণিকক্ষ, পাঠকক্ষ বা পরীক্ষার হলে প্রচারণা চালানো যাবে না।

ভোটারদের কোনো ধরনের উপঢৌকন বা বকশিস দেওয়া যাবে না। প্রচারে আক্রমণাত্মক বক্তব্য, গুজব ছড়ানো বা উসকানিমূলক মন্তব্যও নিষিদ্ধ। সভা-সমাবেশ বা শোভাযাত্রা করতে হলে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। প্রচারণা বা ভোটের দিনে কোনো খাবার বা পানীয় পরিবেশন করা যাবে না।

প্রতিটি হলে একটি প্রজেকশন মিটিং এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি প্রজেকশন মিটিং করার সুযোগ থাকবে। অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আইনসিদ্ধ ইতিবাচক পদ্ধতিতে প্রচারণা চালানো যাবে। তবে ভোটার ছাড়া অন্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।

আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা, প্রার্থিতা বাতিল, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার বা আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডাকসু নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের দিনে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গণনার সময়ও ভোটকেন্দ্রে থাকবেন সেনাসদস্যরা।

চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সাতটি প্রবেশপথে সেনাসদস্যরা অবস্থান করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে ফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কেন্দ্রগুলো কর্ডন করে রাখবে সেনারা, যাতে বাইরের কেউ প্রবেশ করতে না পারে বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভোটের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। এছাড়া নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকেই হলগুলোতে কোনো বহিরাগত থাকতে পারবে না।

আজ থেকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহারে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে এবং প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়সূচি মেনে প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানিয়েছে।

কমিশন সতর্ক করেছেন, নির্বাচনী প্রচারের সময় কোনো প্রার্থী যদি মুক্তিযুদ্ধ, পারিবারিক বা ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে কাউকে অপদস্থ করার চেষ্টা করেন, তবে প্রার্থিতা বাতিলসহ ছাত্রত্বও রদ করা হতে পারে।

ভোট গ্রহণ আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় শুরু হবে। প্রার্থীরা আজ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রচারণা করতে পারবে। তবে ছাত্রীদের জন্য হলগুলোতে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রচারণার অনুমতি থাকবে। প্রচারণার সময় কড়া আচরণবিধি মেনে চলতে হবে।

গত সোমবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে ২১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছাত্রদলের প্রার্থীও রয়েছেন। এ বিষয়ে জানা গেছে, ঘোষিত প্যানেলে ঠাঁই না হওয়ায় দলীয় সিদ্ধান্তে তারা সরে দাঁড়িয়েছেন।

বিভিন্ন অভিযোগে বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রের ওপর আপিল করেছিলেন ৩৪ জন প্রার্থী। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের সকল মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গত রোববার ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আপিল ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল কমিটি বৈঠক করেছে। বৈঠকে জুলিয়াস সিজার তালুকদার ও বায়েজিদ বোস্তামী নামের দুই শিক্ষার্থীকে ভোটার ও প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পরে সোমবার নিষিদ্ধ সংগঠনে জড়িত ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্ট থাকার প্রমাণ মেলায় তাদের প্রার্থিতা ও ভোটারতা বাতিল করা হয়।

জুলিয়াস সিজার প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এক চিঠিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে ন্যায়বিচারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

ছাত্র সংসদের নির্বাচন নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠক সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী, প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী, সিটি এসবির ডিআইজি মীর আশরাফ আলী, ডিএমপির রমনা জোনের উপকমিশনার মো. মাসুদ আলম এবং শাহবাগ থানার ওসি মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর।

বৈঠকে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়া, সুষ্ঠু ভোট গণনা ও ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

আচরণবিধি

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা কেবল সাদাকালো পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহার করতে পারবেন। প্রচারে প্রার্থীর নিজের সাদাকালো ছবি ছাড়া অন্য কোনো ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।

ক্যাম্পাস ও হল এলাকায় স্থাপনা, দেয়াল, যানবাহন, বেড়া, গাছপালা বা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার লাগানো যাবে না। দেয়াল বা যানবাহনে কালি, চুন বা রাসায়নিক ব্যবহার করে লিখন বা চিত্রাঙ্কন করা নিষিদ্ধ।

ফটক, তোরণ, ঘের নির্মাণ কিংবা ক্যাম্প ও আলোকসজ্জা করা যাবে না। তবে অস্থায়ী প্যান্ডেল, শামিয়ানা ও মঞ্চ স্থাপন করা যাবে। কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্রেণিকক্ষ, পাঠকক্ষ বা পরীক্ষার হলে প্রচারণা চালানো যাবে না।

ভোটারদের কোনো ধরনের উপঢৌকন বা বকশিস দেওয়া যাবে না। প্রচারে আক্রমণাত্মক বক্তব্য, গুজব ছড়ানো বা উসকানিমূলক মন্তব্যও নিষিদ্ধ। সভা-সমাবেশ বা শোভাযাত্রা করতে হলে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। প্রচারণা বা ভোটের দিনে কোনো খাবার বা পানীয় পরিবেশন করা যাবে না।

প্রতিটি হলে একটি প্রজেকশন মিটিং এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি প্রজেকশন মিটিং করার সুযোগ থাকবে। অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আইনসিদ্ধ ইতিবাচক পদ্ধতিতে প্রচারণা চালানো যাবে। তবে ভোটার ছাড়া অন্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।

আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা, প্রার্থিতা বাতিল, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার বা আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।