ড. ইউনূসের স্বজনপ্রীতির বড় উদাহরণ স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
- / 265
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বিমান বিধ্বস্ত এবং হতাহতদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের তীব্র সমালোচনা করেছেন । তিনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে স্বজনপ্রীতির বড় উদাহরণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ডে এনসিপির পথসভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘এই সরকারের কাছে অনেক প্রত্যাশা ছিল। অভ্যুত্থানের পর আমরা রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা আগের মতো, আইনশৃঙ্খলাব্যবস্থাও আগের মতো।
একজন স্বাস্থ্যমন্ত্রী (উপদেষ্টা) আছে, চেনেন ওনাকে ? উনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই-ব্রাদার কোটায় আসছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের স্বজনপ্রীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। সব সময় বলে আসছি, এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কোনো প্রয়োজন নাই।’
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও চিকিৎসা সম্পর্কে ‘কিছু বোঝেন না’ বলে মন্তব্য করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক হাসনাত।
তিনি বলেন, ‘উনার একমাত্র যোগ্যতা উনি গ্রামীণ ব্যাংকে ছিল এবং ড. মুহম্মদ ইউনূসের কাছের মানুষ। এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টা লইয়া আমরা কী করিব? এবং দুঃখজনক বিষয়, উনি নিজে চিকিৎসা করাইতে সিঙ্গাপুর যায়। আমরা বললে বিড়াল বেজার হয়। উনাকে নিয়ে একবার কথা বলছিলাম, এরপর উনার আমাদের সাথে যোগাযোগ করে না। জনগণ উনাকে যে বেতন দিছে, সেগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়ে এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টার অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’
তিনি বলেন, উনি যে বেতনটা নেয় এটা হারাম হবে। উনি যে গাড়িতে চড়েন সরকারি টাকায়, এটা জনগণের সঙ্গে বেঈমানী।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আপনারা গতকাল দেখেছেন, লাশের ওপর দিয়ে এই আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদ আবার রাজনীতিতে আসতে চেষ্টা করছে। আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো শোকাহত। যারা বাংলাদেশকে ধারণ করি, সবাই শোকাহত। কিন্তু যদি আওয়ামী লীগ আবার উত্থানের চেষ্টা করে আমরা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এই আওয়ামী লীগকে নাই করে দেব। যদিও আমরা আওয়ামী লীগের চাপটার ক্লোজ করেছি, এই আওয়ামী লীগ আবারও ফিরে আসার চেষ্টা করলে এখন আমরা তাদের নাই করে দেব। এ জন্য আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক ও চাঁদপুরের বাসিন্দা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন প্রমুখ।
এর আগে সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। চাঁদপুরের পথসভার পর পদযাত্রাটি কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পথে হাজীগঞ্জে শহীদ আজাদ চত্বরের উদ্বোধন ও শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় পথসভা করবেন নেতারা।
































