ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্প নয় শান্তিতে নোবেল পেলেন মারিয়া কোরিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 127

ট্রাম্প নয় শান্তিতে নোবেল পেলেন মারিয়া কোরিনা

চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো। আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) নরওয়েভিত্তিক নোবেল কমিটি বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর নোবেল পুরস্কার পেতে ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। তবে তিনি এ পুরস্কার পাননি।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, এ বছর নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয় ৩৩৮ জনকে। যারমধ্যে ২৪৪ জন হলেন ব্যক্তি। আর বাকি ৯৪টি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে।

গত বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল জাপানি সংগঠন নিহন হিদানকিও। তারা পারমাণবিক বোমা হামলার শিকার মানুষদের প্রতিনিধিত্ব এবং পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়তে কাজ করে।

২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল পেয়েছিলেন পাকিস্তানের মালালা ইউসুফ। এরপর তার চেয়ে কম বয়সে আর কেউ নোবেলে ভূষিত হয়নি। অপরদিকে ১৯৯৫ সালে ৮৬ বছর বয়সে নোবেল পেয়েছিলেন জোসেফ রোটব্লাট। এছাড়া এখন পর্যন্ত ৩১টি প্রতিষ্ঠান নোবেল পেয়েছে।

দ্য নোবেল প্রাইজ ডটঅর্গের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্রের আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে মারিয়া কোরিনা অনন্য সাহসের উদাহরণ। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে রাজনৈতিক বিরোধীতার মধ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ঐক্যের প্রতীক ছিলেন।

এর আগে বছরের শুরু থেকেই শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, সাতটি যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রেখেছেন। তাঁকে পুরস্কৃত করার জন্য মনোনয়ন দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন ইসরায়েল ও পাকিস্তানের সরকারপ্রধান। সুইডেন এমনকি নরওয়ের রাজনীতিবিদ ও আইনপ্রণেতারাও ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

গত বছর শান্তিতে নোবেল পেয়েছিল জাপানি সংগঠন নিহন হিদানকিও। জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের তৃণমূল আন্দোলন হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র  যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রদর্শনের জন্য  নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ট্রাম্প নয় শান্তিতে নোবেল পেলেন মারিয়া কোরিনা

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো। আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) নরওয়েভিত্তিক নোবেল কমিটি বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর নোবেল পুরস্কার পেতে ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। তবে তিনি এ পুরস্কার পাননি।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, এ বছর নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয় ৩৩৮ জনকে। যারমধ্যে ২৪৪ জন হলেন ব্যক্তি। আর বাকি ৯৪টি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে।

গত বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল জাপানি সংগঠন নিহন হিদানকিও। তারা পারমাণবিক বোমা হামলার শিকার মানুষদের প্রতিনিধিত্ব এবং পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়তে কাজ করে।

২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল পেয়েছিলেন পাকিস্তানের মালালা ইউসুফ। এরপর তার চেয়ে কম বয়সে আর কেউ নোবেলে ভূষিত হয়নি। অপরদিকে ১৯৯৫ সালে ৮৬ বছর বয়সে নোবেল পেয়েছিলেন জোসেফ রোটব্লাট। এছাড়া এখন পর্যন্ত ৩১টি প্রতিষ্ঠান নোবেল পেয়েছে।

দ্য নোবেল প্রাইজ ডটঅর্গের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্রের আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে মারিয়া কোরিনা অনন্য সাহসের উদাহরণ। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে রাজনৈতিক বিরোধীতার মধ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ঐক্যের প্রতীক ছিলেন।

এর আগে বছরের শুরু থেকেই শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, সাতটি যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রেখেছেন। তাঁকে পুরস্কৃত করার জন্য মনোনয়ন দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন ইসরায়েল ও পাকিস্তানের সরকারপ্রধান। সুইডেন এমনকি নরওয়ের রাজনীতিবিদ ও আইনপ্রণেতারাও ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

গত বছর শান্তিতে নোবেল পেয়েছিল জাপানি সংগঠন নিহন হিদানকিও। জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের তৃণমূল আন্দোলন হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র  যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রদর্শনের জন্য  নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।