টাঙ্গুয়ার হাওরে উচ্চস্বরে গান-বাজনা ও পার্টি আয়োজন নিষিদ্ধ
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
- / 142
টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি এবং সংবেদনশীল জলজ বাস্তুতন্ত্র। তাই হাউসবোট বা নৌযানে উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা এবং পার্টি আয়োজন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সোমবার (১০ নভেম্বর) পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পানি আইন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ সুরক্ষা আদেশ জারি করা হয়েছে। হাওরের সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য নিম্নলিখিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে:
হাওর অঞ্চলে পাখি বা পরিযায়ী পাখি শিকার, বাণিজ্যিক হাঁস পালন, গাছ কাটার এবং জলজ বনের ক্ষতি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
হাওরের জলজ গাছের ডাল কেটে ঘের নির্মাণ বা মাছের আশ্রয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে না।
সংরক্ষিত এলাকা বা সংবেদনশীল এলাকায় সরকারী অনুমোদন ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না।
হাওরের ভূমি শ্রেণি পরিবর্তন, জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্নিত করা, ভূমি ও পানির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা যাবে না।
শিক্ষা সফর বা পর্যটক পরিবহন জেলা প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া চলাচল করতে পারবে না। যাত্রী সংখ্যা সীমিত থাকবে এবং নির্ধারিত রুট ছাড়া নৌযান চলাচল ও নোঙর করা যাবে না।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পর্যটক পরিবহন নিষিদ্ধ থাকবে।
স্থানীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।
হাউসবোট বা নৌযানে উচ্চস্বরে গান-বাজনা, পার্টি আয়োজন এবং শব্দ দূষণ সৃষ্টিকারী ইঞ্জিন বা জেনারেটর ব্যবহার নিষিদ্ধ।
একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বহন করা, নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বা বৈদ্যুতিক শকের মাধ্যমে মাছ শিকার, বালু-পাথর-মাটি উত্তোলন, জলাধারের পানি নিঃশেষ করা, ১০০ ফুটের বেশি নৌযান পরিচালনা, বর্জ্য নির্গমন ও পাকা সড়ক নির্মাণ অনুমোদন ছাড়া করা যাবে না।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সুরক্ষা আদেশের প্রতিপালন বাধ্যতামূলক এবং লঙ্ঘন করলে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
































