ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নয় বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 70

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ

বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইলেও তারা রাজি হয়নি বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, গণভোট জাতীয় নির্বাচনের আগে নাকি নির্বাচনের দিন হবে—এই বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিএনপি তাতে সাড়া দেয়নি।

শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে ‘নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাঁরা জানিয়েছেন, আমাদের সঙ্গে বসবেন না। আমরা এখনো আলোচনায় রাজি আছি এবং প্রয়োজনে অন্য দলগুলোকে আলোচনায় অংশ নিতে উৎসাহিত করব।”

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি বলেন, “সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নেই। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সরকারের কাছে সুপারিশ করার পর থেকেই বিরোধ শুরু হয়।”

তিনি আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আলোচনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি রাজপথে আওয়াজ তোলাও প্রয়োজন। আমরা সহিংসতা করছি না, বরং রাজনৈতিক সমাধান চাই।”

জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, “নির্বাচনের দিনে জনগণের মনোযোগ দল ও প্রার্থীর দিকে থাকে। একসঙ্গে দুটি ভোট নিলে সময়ের সংকট তৈরি হবে, ভোটদানের হারও কমবে। পরে বলা হতে পারে, জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে ভোট দেয়নি।”

হামিদুর রহমান আযাদ আরও দাবি করেন, “ফ্যাসিবাদী আমলের প্রশাসন এখনো টিকে আছে। জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে আগে গণভোট হওয়া দরকার। তাহলে জাতীয় নির্বাচন আরও সুষ্ঠু হবে।”

আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জামায়াতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নয় বিএনপি

সর্বশেষ আপডেট ০২:২০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইলেও তারা রাজি হয়নি বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, গণভোট জাতীয় নির্বাচনের আগে নাকি নির্বাচনের দিন হবে—এই বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিএনপি তাতে সাড়া দেয়নি।

শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে ‘নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাঁরা জানিয়েছেন, আমাদের সঙ্গে বসবেন না। আমরা এখনো আলোচনায় রাজি আছি এবং প্রয়োজনে অন্য দলগুলোকে আলোচনায় অংশ নিতে উৎসাহিত করব।”

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি বলেন, “সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নেই। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সরকারের কাছে সুপারিশ করার পর থেকেই বিরোধ শুরু হয়।”

তিনি আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আলোচনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি রাজপথে আওয়াজ তোলাও প্রয়োজন। আমরা সহিংসতা করছি না, বরং রাজনৈতিক সমাধান চাই।”

জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, “নির্বাচনের দিনে জনগণের মনোযোগ দল ও প্রার্থীর দিকে থাকে। একসঙ্গে দুটি ভোট নিলে সময়ের সংকট তৈরি হবে, ভোটদানের হারও কমবে। পরে বলা হতে পারে, জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে ভোট দেয়নি।”

হামিদুর রহমান আযাদ আরও দাবি করেন, “ফ্যাসিবাদী আমলের প্রশাসন এখনো টিকে আছে। জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে আগে গণভোট হওয়া দরকার। তাহলে জাতীয় নির্বাচন আরও সুষ্ঠু হবে।”

আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।