ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের নেতৃত্বে মব হামলা, নিহত বিএনপি নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 158

মব করে বিএনপি নেতাকে হত্যা করেছে জামায়াত

কক্সবাজার সদরে জামায়াত নেতার নেতৃত্বে মব সৃষ্টি করে বিএনপি নেতা রহিম উদ্দিন সিকদারকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি।

বুধবার (১৬ জুলাই) কক্সবাজার শহরের শহীদ সরণি এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছেন সদর উপজেলা বিএনপির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কক্সবাজার সদর উপজেলা বিএনপির নেতারা দাবি করেন, সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রহিম উদ্দিন সিকদারের হত্যায় নেতৃত্ব দিয়েছেন জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান।

লিখিত বক্তব্যে সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ বলেন, ১৩ জুলাই রহিম উদ্দিন সিকদার পানিরছড়া বটতলী বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে ছাত্রদলের ভারুয়াখালী ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি সাকিব উদ্দিনসহ স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়। এতে রহিম উদ্দিন সিকদার, সাকিব উদ্দিনসহ চারজন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক দুজনকে চট্টগ্রামে পাঠান। গত মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহিম উদ্দিন সিকদার মারা যান।

বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামী গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে, হামলাকারী আবদুল্লাহ আল নোমান তাদের সংগঠনের কেউ নন। তারা এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চায়।

তবে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আবদুল্লাহ আল নোমান জামায়াতের নিয়মিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন এবং দলটির নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য ছবি রয়েছে।

বিএনপি নেতারা আরও বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের জামায়াতে পদপদবি দিয়ে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

তারা দাবি করেন, রহিম উদ্দিনের হত্যার ঘটনায় জড়িত জামায়াত নেতাসহ অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন রিসিভ করা হয়নি।

তবে কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, “মসজিদের জায়গা নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন মারা গেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী জড়িত নয়। কিছু লোক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটনাটি আমাদের সংগঠনের ঘাড়ে চাপাতে চাইছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জামায়াতের নেতৃত্বে মব হামলা, নিহত বিএনপি নেতা

সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

কক্সবাজার সদরে জামায়াত নেতার নেতৃত্বে মব সৃষ্টি করে বিএনপি নেতা রহিম উদ্দিন সিকদারকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি।

বুধবার (১৬ জুলাই) কক্সবাজার শহরের শহীদ সরণি এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছেন সদর উপজেলা বিএনপির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কক্সবাজার সদর উপজেলা বিএনপির নেতারা দাবি করেন, সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রহিম উদ্দিন সিকদারের হত্যায় নেতৃত্ব দিয়েছেন জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান।

লিখিত বক্তব্যে সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ বলেন, ১৩ জুলাই রহিম উদ্দিন সিকদার পানিরছড়া বটতলী বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে ছাত্রদলের ভারুয়াখালী ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি সাকিব উদ্দিনসহ স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়। এতে রহিম উদ্দিন সিকদার, সাকিব উদ্দিনসহ চারজন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক দুজনকে চট্টগ্রামে পাঠান। গত মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহিম উদ্দিন সিকদার মারা যান।

বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামী গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে, হামলাকারী আবদুল্লাহ আল নোমান তাদের সংগঠনের কেউ নন। তারা এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চায়।

তবে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আবদুল্লাহ আল নোমান জামায়াতের নিয়মিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন এবং দলটির নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য ছবি রয়েছে।

বিএনপি নেতারা আরও বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের জামায়াতে পদপদবি দিয়ে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

তারা দাবি করেন, রহিম উদ্দিনের হত্যার ঘটনায় জড়িত জামায়াত নেতাসহ অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন রিসিভ করা হয়নি।

তবে কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, “মসজিদের জায়গা নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন মারা গেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী জড়িত নয়। কিছু লোক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটনাটি আমাদের সংগঠনের ঘাড়ে চাপাতে চাইছে।”