জাতীয় স্বার্থে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান রিজওয়ানা হাসানের
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
- / 37
ব্যক্তিগত ও দলীয় হিসাবের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিশ্বাস ব্যক্তিগত বিষয় হলেও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সংকীর্ণতার জায়গা নেই।
মঙ্গলবার সাভারের রেডিও কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের প্রচার কর্মসূচি ‘ভোটের রিকশা’ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচনে কে কাকে ভোট দেবেন, তা সম্পূর্ণভাবে ভোটারের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তবে গণভোটের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন, কারণ এটি সরাসরি রাষ্ট্র সংস্কার ও ভবিষ্যৎ কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত। সে কারণে রাজনৈতিক সংকীর্ণতা পরিহার করে দেশের কল্যাণে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর তাদের মতামতের ভিত্তিতেই এই সনদে স্বাক্ষর হয়েছে। ক্ষমতার ভারসাম্য ও ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করতে ১২টি মূল বিষয়ের আলোকে চারটি প্রশ্নে হ্যাঁ-না ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে, এটি অস্বাভাবিক নয়। উন্নত দেশগুলোতেও সরকার গণভোটে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে। তবে কাউকে ‘না’ ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। মত প্রকাশের এই স্বাধীনতাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান চাইলে সংস্কারের পক্ষে থাকতে হবে। সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানান, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে ‘ভোটের রিকশা’ কর্মসূচির মাধ্যমে ৬৪ জেলার ৪ হাজার ৫০০ ইউনিয়নে প্রচারণা চালানো হবে।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা আট বিভাগের জন্য আটটি ‘ভোটের রিকশা’ উদ্বোধন করেন, যা সারাদেশে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের আচরণবিধি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করবে।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এএসএম জাহিদ।
































