ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনপ্রিয় ‘তরুণী’ টিকটকার, গ্রেপ্তারের পর ১৮ বছরের যুবক!

বিনোদন ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 114

জনপ্রিয় ‘তরুণী’ টিকটকার, গ্রেপ্তারের পর ১৮ বছরের যুবক!

বেশি ফলোয়ার ও ভিউয়ের আশায় তরুণী সেজে ভিডিও বানিয়ে প্রচার করতেন এক যুবক। সম্প্রতি এই ঘটনা সামনে এসেছে। প্ল্যাটফর্মটিতে ‘ইয়াসমিন’ নামে পরিচিত মিশরের একজন জনপ্রিয় টিকটকার এ সংক্রান্ত অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম বোল নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ইয়াসমিন’ নামে পরিচিত টিকটকার মূলত ১৮ বছর বয়সী একজন ছাত্র। তিনি তরুণীর ছদ্মবেশে ভিডিও পোস্ট করতেন এবং দর্শকদের এভাবে প্রতারিত করে আসছিলেন।

মিশরীয় কর্তৃপক্ষের মতে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ওই অ্যাকাউন্ট থেকে অনুপযুক্ত ভিডিও আপলোডের অভিযোগ পান। পরে ‘ইয়াসমিন’ অ্যাকাউন্টের মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি স্বীকার করেন যে, তিনি ফলোয়ার ও ভিউ বাড়ানোর আশায় এবং অর্থ উপার্জনের জন্য তরুণীর ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন।

এই টিকটকারের মূল নাম আবদুল রহমান। তিনি আরও বলেন, “ভিউ ও অর্থ উপার্জন ছাড়াও বিজ্ঞাপন পেতে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তরুণীর ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলাম।” তার এই স্বীকারোক্তি অন্যান্য কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের অনলাইনে অস্বাভাবিক কৌশল অবলম্বনের বিষয়ে আলোকপাত করে।

আবদুল রহমানের স্বীকারোক্তির পর তার বিরুদ্ধে ছদ্মবেশ ধারণ ও জনসাধারণের নৈতিকতা লঙ্ঘনকারী প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে কর্তৃপক্ষ তার ফোন ও সব অনলাইন প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্ট জব্দ করে। চার দিন হেফাজতে থাকার পর পাঁচ হাজার মিশরীয় পাউন্ডের বিনিময়ে তিনি জামিন পান।

তবে প্রতিবেশীরা জানান, তারা তাকে কখনও সন্দেহজনক কিছু করতে দেখেননি। তাদের কাছে তিনি ছিলেন একজন সাধারণ যুবক।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জনপ্রিয় ‘তরুণী’ টিকটকার, গ্রেপ্তারের পর ১৮ বছরের যুবক!

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

বেশি ফলোয়ার ও ভিউয়ের আশায় তরুণী সেজে ভিডিও বানিয়ে প্রচার করতেন এক যুবক। সম্প্রতি এই ঘটনা সামনে এসেছে। প্ল্যাটফর্মটিতে ‘ইয়াসমিন’ নামে পরিচিত মিশরের একজন জনপ্রিয় টিকটকার এ সংক্রান্ত অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম বোল নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ইয়াসমিন’ নামে পরিচিত টিকটকার মূলত ১৮ বছর বয়সী একজন ছাত্র। তিনি তরুণীর ছদ্মবেশে ভিডিও পোস্ট করতেন এবং দর্শকদের এভাবে প্রতারিত করে আসছিলেন।

মিশরীয় কর্তৃপক্ষের মতে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ওই অ্যাকাউন্ট থেকে অনুপযুক্ত ভিডিও আপলোডের অভিযোগ পান। পরে ‘ইয়াসমিন’ অ্যাকাউন্টের মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি স্বীকার করেন যে, তিনি ফলোয়ার ও ভিউ বাড়ানোর আশায় এবং অর্থ উপার্জনের জন্য তরুণীর ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন।

এই টিকটকারের মূল নাম আবদুল রহমান। তিনি আরও বলেন, “ভিউ ও অর্থ উপার্জন ছাড়াও বিজ্ঞাপন পেতে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তরুণীর ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলাম।” তার এই স্বীকারোক্তি অন্যান্য কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের অনলাইনে অস্বাভাবিক কৌশল অবলম্বনের বিষয়ে আলোকপাত করে।

আবদুল রহমানের স্বীকারোক্তির পর তার বিরুদ্ধে ছদ্মবেশ ধারণ ও জনসাধারণের নৈতিকতা লঙ্ঘনকারী প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে কর্তৃপক্ষ তার ফোন ও সব অনলাইন প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্ট জব্দ করে। চার দিন হেফাজতে থাকার পর পাঁচ হাজার মিশরীয় পাউন্ডের বিনিময়ে তিনি জামিন পান।

তবে প্রতিবেশীরা জানান, তারা তাকে কখনও সন্দেহজনক কিছু করতে দেখেননি। তাদের কাছে তিনি ছিলেন একজন সাধারণ যুবক।