ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
র‍য়টার্সের প্রতিবেদন

চীনের সীমান্ত ঘেঁষে ভারতের নতুন বিমান ঘাঁটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / 83

চীনের সীমান্ত ঘেঁষে ভারতের নতুন বিমান ঘাঁটি

প্রতিবেশি দেশ চীনের সীমান্ত ঘেঁষে এবার নতুন বিমান ঘাঁটি স্থাপন করছে ভারত। এমন এক তথ্য উঠে এসেছে বার্তাসংস্থা র‍য়টার্সের এক প্রতিবেদনে। ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধানের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিমালয় ঘেঁষে চীনের সঙ্গে ভারতের যে সীমান্ত রয়েছে সেখানে যুদ্ধবিমান রাখা এবং সেনাবাহিনীর যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ভারতের দুই প্রতিবেশি দেশ পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ায় নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং একটি বিমানে করে বুধবার লাদাখের সেই বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেন। চীনের লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোলের থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে ভারতের এই সামরিক তৎপরতা নিয়ে এখনো পর্যন্ত ভারতের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) এ সাবেক অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল সঞ্জীব কাপুর জানিয়েছেন, লাদাখের এই নতুন বিমানঘাঁটি যেকোনো যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম। তিনি আরো বলেন, আমাদের দুই প্রতিপক্ষের জন্য এই উদ্যোগ আরেকটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করবে।

গত অক্টোবর মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীন সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুদেশের মধ্যকার বিদ্যমান বৈরি সম্পর্ক এবং টানাপোড়েন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন দুই দেশের প্রভাবশালী রাষ্ট্রপ্রধান। সেসময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উল্লেখ করেন, হাতি এবং ড্রাগনের এক হওয়ার সময় এসেছে। যা দুদেশের মধ্যে চলমান সীমান্ত বৈরি মনোভাবকে সংকুচিত করার প্রয়াস বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

র‍য়টার্সের প্রতিবেদন

চীনের সীমান্ত ঘেঁষে ভারতের নতুন বিমান ঘাঁটি

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

প্রতিবেশি দেশ চীনের সীমান্ত ঘেঁষে এবার নতুন বিমান ঘাঁটি স্থাপন করছে ভারত। এমন এক তথ্য উঠে এসেছে বার্তাসংস্থা র‍য়টার্সের এক প্রতিবেদনে। ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধানের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিমালয় ঘেঁষে চীনের সঙ্গে ভারতের যে সীমান্ত রয়েছে সেখানে যুদ্ধবিমান রাখা এবং সেনাবাহিনীর যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ভারতের দুই প্রতিবেশি দেশ পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ায় নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং একটি বিমানে করে বুধবার লাদাখের সেই বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেন। চীনের লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোলের থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে ভারতের এই সামরিক তৎপরতা নিয়ে এখনো পর্যন্ত ভারতের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) এ সাবেক অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল সঞ্জীব কাপুর জানিয়েছেন, লাদাখের এই নতুন বিমানঘাঁটি যেকোনো যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম। তিনি আরো বলেন, আমাদের দুই প্রতিপক্ষের জন্য এই উদ্যোগ আরেকটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করবে।

গত অক্টোবর মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীন সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুদেশের মধ্যকার বিদ্যমান বৈরি সম্পর্ক এবং টানাপোড়েন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন দুই দেশের প্রভাবশালী রাষ্ট্রপ্রধান। সেসময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উল্লেখ করেন, হাতি এবং ড্রাগনের এক হওয়ার সময় এসেছে। যা দুদেশের মধ্যে চলমান সীমান্ত বৈরি মনোভাবকে সংকুচিত করার প্রয়াস বলে ধারণা করা হচ্ছে।